|
ঝিনাইগাতীতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দি হাজারো মানুষ
আলিফ জাহান লাবন, ঝিনাইগাতী
|
![]() ঝিনাইগাতীতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দি হাজারো মানুষ সোমবার (২০ জুলাই) সকালে মহারশি নদীর পানি হঠাৎ বৃদ্ধি পেয়ে ঝিনাইগাতী উপজেলা সদর বাজারের বিভিন্ন অংশ তলিয়ে যায়। বাজারজুড়ে হাঁটুসমান পানি জমে থাকায় স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে। বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়ায় ব্যবসায়ীরা সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। একই সময়ে সোমেশ্বরী নদীর পানিও আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। উজানে পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় নদী দুটির পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা জানান, প্রতি বর্ষা মৌসুমেই ঝিনাইগাতীতে একই ধরনের বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিন ধরে নদীর দুই তীরে স্থায়ী ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানানো হলেও কার্যকর উদ্যোগের অভাবে প্রতিবছর পাহাড়ি ঢলের পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সৃষ্টি করছে। বন্যার কারণে কৃষিজমির ফসল, মাছের ঘের, গবাদিপশু এবং সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, নদীর দুই তীরে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হলে প্রতিবছরের এই দুর্ভোগ ও আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল আমীন বলেন, “ঝিনাইগাতী উপজেলা ভারতের মেঘালয় সীমান্তঘেঁষা হওয়ায় উজানে বৃষ্টিপাত হলেই পাহাড়ি ঢলের পানি খুব দ্রুত এ অঞ্চলের নদ-নদীতে নেমে আসে। এতে অল্প সময়ের মধ্যেই নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। প্রশাসন সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।” |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
