|
কুড়িগ্রাম পৌরসভা প্রথম শ্রেণীর হলেও নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হাটির পাড়ার লোকজন
আহম্মেদুল কবির, কুড়িগ্রাম
|
![]() কুড়িগ্রাম পৌরসভা প্রথম শ্রেণীর হলেও নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হাটির পাড়ার লোকজন আজ ২০ জুলাই সোমবার সকালে ওই পাড়ায় গিয়ে দেখা যায় এলাকায় বসবাসরত লোকজনের করুন পরিণতি। সামান্য বৃষ্টিতে ড্রেন উচলে পানি দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। কয়েক সেকেন্ড দাঁড়িয়ে থাকলেই মশা- মাছির আক্রমনে মানুষ দিশেহারা। পৌরসভার সাপ্লাইয়ের পানি পায়না এলাকার মানুষজন বহুদিন থেকে। পৌরসভা কর্তৃপক্ষের শহর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শহরের প্রধান রাস্তা গুলোতে দেখা গেলেও অলিগলির রাস্তায় দেখা যায় না। হাটির পাড়ের কোন অলিগলির রাস্তায় পৌরসভা কর্তৃপক্ষের পরিচ্ছন্নতার কাজ হাটির পড়ার লোকজন কেউ কখনো দেখেনি বলে জানান। সবচেয়ে করুন পরিণতি হয়েছে গ্রীন লাইফ হাসপাতালের সামনে মরহুম এড. কমল ব্যানার্জীর বাড়ির দক্ষিণের অংশ থেকে তুহিন মিয়ার বাড়ি এবং তুহিন মিয়ার বাড়ি হয়ে মরহুম কোবাদ মিয়ার বাড়ি যাওয়া পাকা রাস্তাটি আর রাস্তা নেই, রাস্তাটি ভেঙ্গে চুড়ে একাকার, দীর্ঘদিন থেকে সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেই। রাস্তার পাশে থাকা ড্রেনের ময়লা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি পাড়ার লোকজনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। এলাকার বেশির ভাগ মানুষেই বলছে কুড়িগ্রাম পৌরসভা কর্তৃপক্ষ হাটির পাড়ার মানুষজনকে তামাশায় পরিণত করেছে। তারা এও বলেন, আমরা পৌর কর, ট্যাক্স, ফি সবই দিচ্ছি কিন্তু বহুদিন থেকে কোন নাগরিক সুবিধা পাচ্ছি না। সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার হারুন সাহেব বিষয়টি সমাধানের জন্য বহুবার চেষ্টা করলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ বাস্তবায়ন হয়নি। এলাকার বাসিন্দা বাবুল হোসেন বলেন, “প্রায় ১০ থেকে ১২ বছর ধরে আমরা পৌরসভার প্রকৌশলীর পেছনে ঘুরছি। এলাকাবাসী বহুবার আবেদন করেছে, মানববন্ধন হয়েছে। পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে শুধু আশ্বাসই পেয়েছি—‘আজ হবে, কাল হবে, এস্টিমেট পাঠিয়েছি- যাচ্ছে- হবে।’ কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি। আমরা আর কতদিন এই দুর্ভোগ সহ্য করবো?” এলাকাবাসী শেষ পর্যন্ত আবারও পৌরকর্তৃপক্ষ এবং কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক - এর কাছে দাবি জানিয়ে বলেন, বিষয়টি আমলে নিয়ে অতিসত্বর দ্রুত ড্রেন পুনঃর্নির্মাণ, রাস্তা সংস্কার এবং স্থায়ী পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে আমাদের বাঁচান। তা না হলে আগামী দিনে জনদুর্ভোগ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে এবং একই সঙ্গে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া ও অন্যান্য পানিবাহিত রোগের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পাবে বলে এলাকাবাসী মনে করছেন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
