|
খামেনির শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু, ৪ মাস কীভাবে সংরক্ষণ করা হলো খামেনির মরদেহ?
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() খামেনির শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু, ৪ মাস কীভাবে সংরক্ষণ করা হলো খামেনির মরদেহ? শেষ বিদায়ের শোভাযাত্রা ইরাকেও অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে দাফন করা হবে। খামেনির মরদেহ তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে পৌঁছানোর আগেই সেখানে হাজার হাজার শোকাহত মানুষ জড়ো হন। তাদের হাতে ছিল লাল পতাকা, যা প্রতিশোধের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। এ সময় তারা আমেরিকার ধ্বংস হোক এবং প্রতিশোধ, প্রতিশোধ স্লোগান দেন। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগেই তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সে হাজার হাজার মানুষ প্রবেশ করেন। বিশাল এই প্রাঙ্গণের মূল চত্বর শোকাহত মানুষের ভিড়ে পূর্ণ হয়ে যায়। এ উপলক্ষে রাজধানীজুড়ে কঠোর যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এএফপির এক প্রতিবেদক জানান, অনেক মানুষ কয়েক কিলোমিটার হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, তেহরানের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশন খুলে দেওয়ার অপেক্ষায় দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে আছেন মানুষ, যাতে তারা জানাজা ও দাফনের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন। ৪ মাস কীভাবে সংরক্ষণ করা হলো খামেনির মরদেহ ![]() খামেনির শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু, ৪ মাস কীভাবে সংরক্ষণ করা হলো খামেনির মরদেহ? খামেনির মৃত্যুর চার মাসেরও বেশি সময় পর ৯ জুলাই তার দাফনের প্রস্তুতি নিচ্ছে তেহরান। দীর্ঘ এ সময় খামেনির মরদেহ কী ভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জর্জ ওয়াশিংটন প্রোগ্রামের চরমপন্থা বিষয়ক ও সন্ত্রাসবাদবিরোধী বিশেষজ্ঞ ড. মোহাম্মদ ওমর ফক্স নিউজ ডিজিটালকে বলেন, মরদেহ রাসায়নিকভাবে সংরক্ষণ নয়, বরং শীতলীকরণ ব্যবস্থায় রাখা হয়েছে বলেই প্রায় নিশ্চিত। ইসলামে রাসায়নিক পদ্ধতিতে সংরক্ষণ নিষিদ্ধ। ভিন্ন পরিস্থিতিতে শিয়া আইনে দাফন বিলম্বিত করা ও শীতলীকরণের মাধ্যমে মরদেহ সংরক্ষণের অনুমতি রয়েছে। তার মতে, অক্ষত মরদেহ থাকলে বিদায় অনুষ্ঠান বাতিল, দাফনের স্থান বারবার পরিবর্তন বা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দাফনের সময় নিশ্চিত না করার প্রয়োজন পড়ত না। এটি মরদেহ সংরক্ষণ করা সম্ভব হলেও তা প্রদর্শনের উপযোগী না থাকার বড় ইঙ্গিত দেয়। খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে ব্যাপক জনসমাগমের আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। কর্মকর্তাদের ধারণা, শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে এক কোটি ৫০ লাখ থেকে দুই কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে। এদিকে, সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায় অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে যে কোনো ধরনের হামলা থেকে বিরত থাকার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। উল্লেখ্য, অপারেশন এপিক ফিউরি’র অংশ হিসেবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে নিজ বাসভবনে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হন খামেনি। তিনি দীর্ঘ ৩৬ বছর ধরে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। সূত্র: ফক্স নিউজ, রয়টার্স, জিও নিউজ |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
