|
উন্নয়নের পথে ভালুকা, প্রস্তাব একাধিক মেগা প্রকল্প
মোঃ হাবিব উল্যাহ পাঠান: ভালুকা
|
![]() উন্নয়নের পথে ভালুকা, প্রস্তাব একাধিক মেগা প্রকল্প প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে বর্তমান ৫০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করা। একই সঙ্গে হাসপাতালটিতে বার্ন ইউনিট, ক্যান্সার চিকিৎসা ইউনিট এবং হৃদরোগ চিকিৎসা ইউনিট স্থাপনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়ভাবে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। শিক্ষা খাতে ময়মনসিংহ শহরের আনন্দমোহন কলেজে অধ্যয়নরত ভালুকার শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সুবিধার জন্য তিনটি বাস বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এটি বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ব্যয় ও সময় কমবে। যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীরচালা চৌরাস্তা থেকে ময়মনসিংহ বাইপাস পর্যন্ত অংশে বাস বে নির্মাণ, বাজার এলাকায় বিশেষ লেন এবং সড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। শিল্পাঞ্চল হিসেবে পরিচিত ভালুকায় যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় এসব উদ্যোগ বিবেচনায় আনা হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে। পরিবেশ খাতে শিল্পকারখানার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি আধুনিক সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে শিল্পবর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এ ছাড়া যমুনা সেতু থেকে শুরু হয়ে সখীপুর, ভালুকা, গফরগাঁও ও হোসেনপুর হয়ে ভৈরব সেতু পর্যন্ত একটি চার লেনবিশিষ্ট আঞ্চলিক মহাসড়ক নির্মাণের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে আন্তঃআঞ্চলিক যোগাযোগ সহজ হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যমান সড়ক নেটওয়ার্কের ওপর চাপ কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে গত ১৪ জুন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রটোকল অফিসার-১ ও সমন্বয় সেলের সদস্যসচিব মো. উজ্জ্বল হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিবকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন জরুরি ভিত্তিতে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগ ও পরিবেশ খাতে দীর্ঘদিনের বিভিন্ন চাহিদা রয়েছে। প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষের সেবা প্রাপ্তি ও যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নতি ঘটবে বলে তারা আশা করছেন। তবে প্রকল্পগুলোর অধিকাংশই এখনও প্রস্তাব বা প্রক্রিয়াধীন পর্যায়ে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার অনুমোদন, বাজেট বরাদ্দ এবং বাস্তবায়ন কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পরই প্রকল্প গুলোর পূর্ণাঙ্গ প্রভাব মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
