|
পাকিস্তানেই ফের বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, আরও যা জানা গেল
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() পাকিস্তানেই ফের বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, আরও যা জানা গেল অ্যারিজোনার ফিনিক্সে টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ-র একটি অনুষ্ঠানে ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, ‘যেহেতেু বেশিরভাগ বিষয়ে এরইমধ্যে আলোচনা ও সম্মতি হয়েছে, তাই আশা করি প্রক্রিয়াটি খুব দ্রুত এগিয়ে যাবে।’ এদিকে ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আগামী বুধবারের মধ্যে কোনো চুক্তি না হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির মেয়াদ তিনি আর নাও বাড়াতে পারেন। স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে এয়ারফোর্স ওয়ানে এক সাংবাদিক জানতে চান আলোচনা ব্যর্থ হলে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াবেন নাকি পুনরায় হামলা শুরু করবেন। জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘হয়তো আমি যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াব না।’ তিনি আরও বলেন, ‘ফলে একটি অবরোধ তৈরি হবে এবং দুর্ভাগ্যবশত আমাদের আবার বোমা বর্ষণ শুরু করতে হবে।’ এই সপ্তাহান্তে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদল সোমবার পাকিস্তানে আলোচনায় বসতে পারেন এমন প্রতিবেদন প্রকাশের পর ট্রাম্প এ মন্তব্য করলেন। এর আগে শুক্রবার ট্রাম্প আত্মবিশ্বাস নিয়ে বলেছেন যে, উভয় পক্ষ একটি চুক্তির কাছাকাছি রয়েছে। অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি খোলার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। তেহরান দাবি করেছে, শর্তসাপেক্ষে হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়া হয়েছে। মার্কিন অবরোধ অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালি আবারও বন্ধ করে দেয়া হতে পারে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া পোস্টে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন,‘অবরোধ অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালি খোলা থাকবে না। এই জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল ইরানের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করবে। ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শর্তসাপেক্ষ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেয়া হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের ব্যবহার বর্তমান যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল। শুক্রবার ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে এবং ‘কখনোই আর বন্ধ না করতে’ সম্মত হয়েছে। ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লিখেছেন, ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান নৌ অবরোধ ‘ইরানের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ শক্তি ও কার্যকারিতাসহ বহাল থাকবে, যতক্ষণ না আমাদের সঙ্গে ইরানের লেনদেন শতভাগ সম্পন্ন হয়।’
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
