|
৭০০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম ব্যান্ডের নিলাম স্থগিতের দাবি
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() ৭০০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম ব্যান্ডের নিলাম স্থগিতের দাবি বুধবার (২১ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি এ তথ্য জানায়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৭০০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সম্পদ, যা জনগণের ট্রাস্ট হিসেবে ব্যবস্থাপনা করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। এই স্পেকট্রামের খণ্ডিত ২৫ মেগাহার্টজ অংশ নিলামের প্রস্তাব অর্থনৈতিকভাবে অকার্যকর এবং জনস্বার্থবিরোধী বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন জানায়, এ বিষয়ে তারা হাইকোর্ট বিভাগের মাননীয় বেঞ্চে জনস্বার্থে রিট পিটিশন নং ৫৩৮/২০২৬ দায়ের করেছে। রিট আবেদনে ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের খণ্ডিত অংশ নিলামের প্রস্তাবকে চ্যালেঞ্জ করা হয়। বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে আদালত রুল নিসি জারি করেছেন। ফলে স্পেকট্রামটির যেকোনো অংশের নিলাম, বরাদ্দ বা ইজারা সংক্রান্ত কার্যক্রম বর্তমানে বিচারাধীন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে আদালতের আদেশ, আইনগত শিষ্টাচার এবং বিচারিক শৃঙ্খলার প্রতি সম্মান জানিয়ে বিটিআরসির কাছে চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত রাখার জোর দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। সংগঠনটি আরও জানায়, ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের অবশিষ্ট ২০ মেগাহার্টজ অংশ সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিচারাধীন রিট পিটিশন নং ৪৯৬/২০১৫–এর ক্ষেত্রেও তারা পক্ষভুক্ত হওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে। ওই মামলার নিষ্পত্তি ছাড়া এই স্পেকট্রাম ব্যান্ডের সর্বোত্তম ও টেকসই ব্যবস্থাপনা সম্ভব নয় বলেও মত প্রকাশ করে সংগঠনটি। বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, অব্যবহৃত স্পেকট্রাম রাষ্ট্রের দখলে ফিরিয়ে এনে ৪৫ মেগাহার্টজ সম্পূর্ণ ব্লক আকারে একত্রে নিলাম করা হলে সর্বোচ্চ রাজস্ব আদায়, উন্নত নেটওয়ার্ক সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং রাষ্ট্রের ফিডিউশিয়ারি দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা সম্ভব হবে। নোটিশে সংগঠনটি স্পষ্ট করে জানায়, তাদের সব কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে জনস্বার্থে পরিচালিত এবং এ বিষয়ে তাদের কোনো বাণিজ্যিক বা প্রতিযোগিতামূলক স্বার্থ নেই। মূল লক্ষ্য হলো স্পেকট্রাম ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও সাংবিধানিক অনুশাসন নিশ্চিত করা। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিচারাধীন অবস্থায় নিলাম কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া আদালতের মর্যাদার প্রতি অবজ্ঞা এবং জনস্বার্থের পরিপন্থি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এ কারণে আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সব কার্যক্রম স্থগিত রাখার বিষয়ে বিটিআরসির পক্ষ থেকে লিখিত নিশ্চয়তা প্রত্যাশা করেছে সংগঠনটি।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
