|
সর্বনিম্ন ৬.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() সর্বনিম্ন ৬.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা সন্ধ্যার পর থেকে ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়ে এ জনপদ। বেশিরভাগ দিনই সারাদিনেও সূর্যের দেখা মিলছে না। বুধবার সকালের দিকেও ঘন কুয়াশায় ঢাকা ছিল চারপাশ। সূর্যের দেখা মিললেও উত্তাপ কম। পাশাপাশি হিমেল বাতাসের কারণে শীত অনুভূত হচ্ছে বেশি। তবে বেলা বাড়লে কুয়াশা কেটে যায়। চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক আলতাফ হোসেন জানান, বুধবার সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা জেলায় এ মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। তিনি বলেন, “এ অবস্থা আরো দুই তিনদিন থাকতে পারে।” মঙ্গলবার জেলায় তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেই হিসেবে চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে টানা দুদিন ধরে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। হাড় কাঁপানো শীতে নিম্নআয়ের মানুষেদের দুর্ভোগ বেড়েছে। কাজ না থাকায় উপার্জন কমে গেছে। ফসলের ক্ষতির আশঙ্কায় দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়েছে কৃষকদের কপালে। সদর উপজেলার হাজরাহাটি গ্রামের কাশেম আলী বলছিলেন, “আমাদের খুবই অসুবিধা। মাঠে কাজ করতে হলে হাতে পায়ে কাঁদাপানি লাগাতে হয়। বরফের মতো ঠান্ডা। “কিন্তু কোনো উপায় নেই। কষ্ট হলেও কাজ করতে হবে।” এদিকে শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীতজরিত রোগের প্রকোপ। ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের ভিড় বাড়ছে হাসপাতালগুলোতে। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আফরিনা ইসলাম বলেন, “তীব্র শীতজনিত কারণে ডায়রিয়া রোগীর চাপ বেড়ে গেছে। এই সময়ে শিশুদের প্রতি আলাদা যত্ন নিতে হবে। কোনোক্রমেই ঠান্ডা লাগতে দেওয়া যাবে না।” এ সময় টাটকা রান্না করা খাবার গ্রহণ এবং কেউ অসুস্থ হলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
পাইকগাছায় কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিষদের নির্বাচন সম্পন্ন
সাজেকও বাঘাইছড়ির দূর্গম পাহাড়ি গ্রামে বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট
খাগড়াছড়িতে প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেটের ফাইনালে পুলিশ লাইন্স স্কুল চ্যাম্পিয়ন, সাইফাতের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি
রাজারহাটে ঘনঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ
