|
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আযাদের মনোনয়ন বাতিল
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আযাদের মনোনয়ন বাতিল শুক্রবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার জেলা রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে হামিদুর রহমান আযাদের মনোনয়ন প্রথমে স্থগিত ও কিছু সময় পরে বাতিলের সিদ্ধান্তের কথা জানান। রিটানিং কর্মকর্তা বলেন, মামলা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে মনোনয়নপত্রটি বাতিল হয়। এর বেশি স্পষ্ট না করে পূর্ণাঙ্গ কারণ বাতিলের সার্টিফিকেটে উল্লেখ করা হবে বলে জানান তিনি। প্রার্থী আযাদের পক্ষে থাকা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আরিফ বলেন, যে মামলার কথা বলা হচ্ছে সেটি স্বৈরশাসক আমলের মামলা। মামলার রায় অনুসারে তিন মাসের কারাভোগও করেন। এমনকি উচ্চ আদালতে এই মামলার আপিলও চলছে। আইনজীবী আরিফ বলেন, মামলাটি ছিল একটি আদালত অবমাননার মামলা। কোনো সুনির্দিষ্ট অপরাধের মামলা নয়। আমাদের কোনো কথা না শুনেই রিটার্নিং কর্মকর্তা একতরফাভাবে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। এদিকে জামায়াত প্রার্থী হামিদুর রহমান আযাদ তার হলফনামায় ৭০টি মামলার তথ্য দিয়েছেন। তবে অধিকাংশই মামলাই প্রত্যাহার করা হয়েছে বা তিনি খালাস পেয়েছেন। শুধুমাত্র একটি মামলা আপিল বিভাগে বিচারাধীন হিসেবে হলফনামায় তথ্য দেওয়া হয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং বিচারাধীন বিষয়ে অবমাননাকর বক্তব্য ও দেশে ‘গৃহযুদ্ধর হুমকি’ দেওয়ায় আদালত অবমাননার অভিযোগে ২০১৩ সালে হামিদুর রহমান আযাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছিল। ওই বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মতিঝিলে জামায়াতের এক সমাবেশে হামিদুর রহমান আযাদ, তৎকালীন জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান ও মহানগর সহকারী সেক্রেটারি সেলিম উদ্দিন বিচারাধীন বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছিলেন। সমাবেশে হামিদুর রহমান আযাদ বলেছিলেন, স্কাইপে সংলাপের গোপন তথ্য প্রকাশিত হওয়ার পর এ ট্রাইব্যুনাল আর এক মুহূর্তও চলতে পারে না। এ মামলায় ২০১৩ সলের ৯ জুন জামায়াতের এই তিন নেতাকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এর মধ্যে হামিদুরকে তিন মাসের কারাদণ্ড এবং তিন হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই সপ্তাহের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। পাঁচ বছর পর ২০১৮ সালের ২৫ জুলাই এই দণ্ডাদেশে কক্সবাজারের সাবেক এই সংসদ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল তাকে কারাগারে পাঠিয়েছিলেন। এদিকে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে বৈধ হওয়া প্রার্থীরা হলেন, বিএনপির আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, ইসলামী আন্দোলনের জিয়াউল হক, খেলাফত মজলিশের ওবাদুল কাদের নদভী, গণঅধিকার পরিষদের এস এম রোকনুজ্জামান খান, জাতীয় পার্টির মো. মাহমুদুল করিম। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
খাগড়াছড়িতে প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেটের ফাইনালে পুলিশ লাইন্স স্কুল চ্যাম্পিয়ন, সাইফাতের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি
বাঘাইছড়ি সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ২০০ লিটার অবৈধ পেট্রোল জব্দ
মহালছড়িতে শিক্ষা ও সম্প্রীতির বার্তা দিলো নবাগত জোন অধিনায়ক লে. কর্নেল মোঃ আল-জাবির আসিফ
তেঁতুলিয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক সমিতির দ্বি- বার্ষিক নির্বাচন
