ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
অর্থপাচার ও চোরাচালান, অ্যাপল গ্যাজেটের বিরুদ্ধে দুদক–এনবিআরের যৌথ অনুসন্ধান
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Wednesday, 24 December, 2025, 2:23 PM

অর্থপাচার ও চোরাচালান, অ্যাপল গ্যাজেটের বিরুদ্ধে দুদক–এনবিআরের যৌথ অনুসন্ধান

অর্থপাচার ও চোরাচালান, অ্যাপল গ্যাজেটের বিরুদ্ধে দুদক–এনবিআরের যৌথ অনুসন্ধান

রাজধানীর আলোচিত ইলেকট্রনিক্স বিপণন প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাপল গ্যাজেটস লিমিটেড’-এর বিরুদ্ধে অর্থপাচার, চোরাচালান ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের গুরুতর অভিযোগে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একই সঙ্গে কর ফাঁকির সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটির তিন শীর্ষ কর্মকর্তার ব্যাংক হিসাব তলব করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি)। সরকারের দুই সংস্থার এই সমন্বিত অনুসন্ধানী দেশের গ্যাজেট আমদানিকারক ও ইলেকট্রনিক্স বাজারে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অ্যাপল গ্যাজেটসের মালিক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ সাইফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ পথে স্মার্টফোন আমদানির অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ আমলে নিয়ে গত ১৭ ডিসেম্বর দুদকের বিশেষ তদন্ত বিভাগ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুসন্ধানের নির্দেশ দেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি তথাকথিত ‘লাগেজ পার্টি’র আড়ালে বিদেশে ডলার পাচার করে ভিয়েতনাম, চায়না, দুবাই ও ভারত থেকে দামী ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন দেশে আনছে। এসব ফোন চোরাচালানের মাধ্যমে বাজারে বিক্রি করে অর্জিত অর্থ আবার হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।


তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, অ্যাপল গ্যাজেটস অবৈধ পথে আমদানি করা হ্যান্ডসেট ‘আনঅফিসিয়াল’ হিসেবে বাজারজাত করছে। এই চক্রের মাধ্যমে হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ আছে। অভিযোগ রয়েছে, রিফারবিশড ও চোরাই ফোন জনপ্রিয় ইউটিউবারদের দিয়ে রিভিউ করিয়ে তরুণ ক্রেতাদের আকৃষ্ট করা হয়, তবে বিক্রয়লব্ধ অর্থের বড় অংশই ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে লেনদেন হচ্ছে। এতে একদিকে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।


এদিকে আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা যাচাইয়ে নড়েচড়ে বসেছে এনবিআর। সূত্রে জানা গেছে, মোহাম্মদ সাইফ মাহমুদ ছাড়াও পরিচালক শরিফুল ইসলাম ও আবদুল্লাহ আল ফারুকীর সঞ্চয়ী, চলতি হিসাব, এফডিআর ও ক্রেডিট কার্ডসহ সব ধরনের ব্যাংক লেনদেনের তথ্য চাওয়া হচ্ছে। দেশের সব তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানোও হয়েছে।


অপর একটি শত্রু বলছে, প্রতিষ্ঠানটি বছরে প্রায় কোটি কোটি টাকার অবৈধ মোবাইল আমদানি করে এবং এর মাধ্যমে সরকার বছরে আনুমানিক কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, লাগেজ পার্টির মাধ্যমে এ ধরনের অনিয়ম অব্যাহত থাকলে বৈধ উৎপাদনকারীরা  মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

এনবিআর সূত্র জানিয়েছে, ব্যাংক থেকে পাওয়া তথ্য আয়কর রিটার্নের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী অসংগতি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status