|
সাতক্ষীরা-৪ আসনে জোটের প্রার্থী হচ্ছেন সাবেক এমপি গোলাম রেজা, পাল্টে যেতে পারে ভোটের হিসাব
ইয়ারব হোসেন, সাতক্ষীরা
|
![]() সাতক্ষীরা-৪ আসনে জোটের প্রার্থী হচ্ছেন সাবেক এমপি গোলাম রেজা, পাল্টে যেতে পারে ভোটের হিসাব সাতক্ষীরা-৪ আসন সূত্রে জানা গেছে, সাবেক এমপি গোলাম রেজার রয়েছে শক্তিশালী ব্যক্তিগত ভোটব্যাংক। ২০০৮ সালের নির্বাচনে চার দলীয় জোটের প্রার্থী জামায়াতে ইসলামী নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে তিনি আলোচনায় আসেন। সেই নির্বাচনের পর থেকেই শ্যামনগরের রাজনীতির সমীকরণে পরিবর্তন আসে। শ্যামনগর উপজেলা দেশের সর্বদক্ষিণের আসন—১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ এলাকা রাজনৈতিকভাবে সবসময় গুরুত্ব পেয়ে এসেছে। সংসদ সদস্য থাকাকালীন গোলাম রেজা স্থানীয়ভাবে রাস্তা, ব্রিজ-কালভার্ট সাইক্লোন , সেন্টার, সাতক্ষীরার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নির্মাণে তার বলিষ্ঠ ভূমিকা ছিল। দুইটি উপজেলায় পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট স্কুল গড়ে তুলেছিলেন তিনি। মহসিন কলেজ সরকারিকরন করেন তিনি। দুই উপজেলার মধ্যবর্তী স্থানে মৌতলায় প্রতিষ্ঠা করেন শিমু, রেজা এমপি কলেজ । তিনি প্রতিষ্ঠা করেন শ্যামনগর বাস টার্মিনালটি নিজের টাকায় । বিশুদ্ধ খাবার পানির জন্য কলোনি পাড়ার জনগণের জন্য জন্য দিঘী খনন করেন। এলাকার শত শত মানুষ উপকৃত হচ্ছেন এই পানি থেকে। দুই উপজেলায় দুটি বিশুদ্ধ পানির প্রকল্প নির্মাণ করেন নিজের টাকায়। তিনি নিজের অর্থেই নির্মাণ করেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ নানা উন্নয়নমূলক কাজ। উপজেলার নওয়াবেকি থেকে মনসুর আলীর গ্যারেজ পর্যন্ত নতুন রাস্তা নির্মাণ, অসংখ্য ভাট, ব্রিজ নতুন রাস্তা নির্মাণ করেন। পদ্মপুকুর থেকে চৌদ্দরসি পর্যন্ত রাস্তার রাস্তা নির্মান করেন তিনি।বিভিন্ন ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মসজিদ মন্দির মাদ্রাসা সহ অসংখ্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের তার রয়েছে অনুদানের হাত। গোলাম রেজার ঘনিষ্ঠ একাধিক কর্মী জানান, তিনি ইতিমধ্যেই ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যোগাযোগের নির্দেশ দিয়েছেন। মাঠ পর্যায়ে গণসংযোগ শুরু হয়েছে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের অনেকে মনে করছেন, জামায়াত ও বিএনপি আলাদা প্রতিকে ভোট করছে। এ এজন্য প্রার্থী গোলাম রেজা সুবিধা পেতে পারেন। সাবেক এমপি গোলাম রেজা বলেন, আমি একটি জোটের প্রার্থী হিসেবে সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে নির্বাচন করব। সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। ২০০৮ সালে নির্বাচিত হওয়ার পর আমার হাত দিয়ে শ্যামনগর ও কালীগঞ্জে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু গত ১৭ বছরে শ্যামনগর উন্নয়নে অনেক পিছিয়ে পড়েছে। তিনি আরও বলেন, ২০০৮ সালে জনগণের ভোটে নির্বাচিত এমপি ছিলাম। আমার হাত দিয়ে কোনো দুর্নীতি হয়নি। রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ-কালভাটসহ অসংখ্য উন্নয়ন হয়েছে। আল্লাহর রহমতে জনগণের ভালোবাসা, সমর্থন আর তাদের ভোট নিয়ে ইনশাল্লাহ আবারও বিজয় ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হব। তিনি বলেন আয়লার সময় ৪৮ হাজার পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে ১০০ কোটি টাকা অনুদান দেন। দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তিনি আগাগোড়াই ছিলেন সোচ্চার। এলাকাবাসীর উন্নয়নের জন্য মামলা করেছেন হাইকোর্টে । শ্যামনগরের কালীগঞ্জের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিনা পয়সায় শতশত মানুষকে চাকরি দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন অবহেলিত শ্যামনগরকে উন্নয়নের মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চান। সুন্দরবন এলাকায় পর্যটনদের জন্য অবকাঠামো তৈরি করতে চান। পানির কষ্ট দীর্ঘদিনের এ উপজেলায়। তিনি নির্বাচিত হলে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করবে সবচেয়ে আগে।তিনি বলেন একটি জোট থেকে নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। আগামী নির্বাচনে কোন প্রকার অঘট না ঘটলে বিপুল ভোটে জয়ী হবেন তিনি। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
