|
বেওয়ারিশ কুকুরের অত্যাচারে জনজীবন বিপর্যস্ত, আতঙ্কে পথচারী ও শিক্ষার্থীরা
এ এইচ অনিক
|
![]() বেওয়ারিশ কুকুরের অত্যাচারে জনজীবন বিপর্যস্ত, আতঙ্কে পথচারী ও শিক্ষার্থীরা স্থানীয় একটি পোল্ট্রি ফার্মের মালিক মোঃ বাদশা হাওলাদার জানান, আগে এসব কুকুর গৃহপালিত হাঁস-মুরগিকে আক্রমণ করত না। কিন্তু বর্তমানে ফার্মের মরা মুরগি খেতে খেতে তারা এতটাই অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে যে এখন জীবিত হাস-মুরগি, ছাগল, বাছুরসহ যেকোনো গৃহপালিত প্রাণীকেও আক্রমণ করছে। তিনি বলেন, “এদের সংখ্যাও এখন অনেক বেড়েছে। খাবারের প্যাকেট হাতে কাউকে দেখলেই দল বেঁধে তাড়া করে।” সবচেয়ে বেশি আতঙ্কে থাকে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীরা। হাতে খাবার বা বাজারের ব্যাগ দেখলেই এসব কুকুর তাদের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে বলেই অভিযোগ স্থানীয়দের। বর্তমানে আশ্বিন ও কার্তিক মাস হওয়ায় কুকুরের প্রজননকাল চলছে। এ সময়ে কুকুর কামড়ে জলাতঙ্কে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ৮০ শতাংশ বলে জানা গেছে। আক্রান্ত হলে প্রয়োজনীয় ‘রাবিপুর’ ভ্যাকসিন সবার পক্ষে কেনা সম্ভব নয়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারিভাবে এ ভ্যাকসিন দেওয়া হলেও সবসময় পাওয়া যায় না এবং ভোগান্তিতেও পড়তে হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। রাতে মানুষের ঘুমও যেন বিঘ্নিত হচ্ছে এসব কুকুরের কারণে। অকারণে রাতভর ঘেউ ঘেউ আওয়াজে এলাকার সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বেওয়ারিশ কুকুর নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তারা আরও বলেন, যেসব ব্যক্তি কুকুর পোষেন তাদেরও আইন অনুযায়ী গলায় বেল্ট পরানোসহ কুকুরকে নিয়ন্ত্রণে রাখার নিয়ম মেনে চলা উচিত।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
