|
ধর্মপাশায় আফজাল কম্পিউটারে ভূমি অফিসে সরকারি নথিপত্র, অতঃপর
মনির হোসেন, ধর্মপাশা
|
![]() ধর্মপাশায় আফজাল কম্পিউটারে ভূমি অফিসে সরকারি নথিপত্র, অতঃপর উপজেলার বাদশাগঞ্জ ভূমি কার্যালয়ের ইউনিয়ন ভূমি উপ–সহকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জামাল হাসান বাদী হয়ে গতকাল ২০ (অক্টোবর) সোমবার রাতে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন অনুযায়ী ধর্মপাশা থানায় এ মামলা করেন। মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলী আফজাল উপজেলার বাদশাগঞ্জ বাজারে ‘আফজাল এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি দোকান পরিচালনা করে আসছেন। তিনি সেখানে দলিল টাইপ করা, নামজারি আবেদন তৈরি ও ফটোকপি সেবা দিয়ে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, তাঁর ব্যক্তিগত কম্পিউটারে উপজেলাধীন বিভিন্ন মৌজার ভলিয়ম (১ নম্বর রেজিস্টারের খতিয়ান) মূলকপির স্ক্যান ফাইল সংরক্ষিত রয়েছে এবং এই ফাইল ব্যবহার করে সে সাধারণ মানুষের থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৫ অক্টোবর বেলা দুইটার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনি রায় বাদশাগঞ্জ বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় আফজাল এন্টারপ্রাইজের কম্পিউটার সেন্টার থেকে acer desktop TJOC78V নামীয় একটি কম্পিউটার জব্দ করা হয় এবং দোকানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভলিয়ম বা ১ নম্বর রেজিস্টারের খতিয়ান সংরক্ষণের বৈধ অধিকার কেবল ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়, উপজেলা ভূমি কার্যালয়, সাব-রেজিস্টার অফিস, জেলা জজ আদালত ও জেলা কালেক্টরেট কার্যালয়ের রয়েছে। এর বাইরে অন্য কোথাও এসব নথি রাখা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। অভিযুক্ত আলী আফজাল বলেন,“করোনাকালে আমি আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে উপজেলা ভূমি কার্যালয়ে ডাটা এন্ট্রির কাজ করেছি। কাজের সুবিধার্থে অফিসের কিছু ভলিয়ম স্ক্যান করে বাসায় নিয়ে এসে ডাটা এন্ট্রি করতাম। অনিচ্ছাকৃতভাবে কিছু ফাইল আমার কম্পিউটারে রয়ে গিয়েছিল। আমি এসব নথি দিয়ে কখনো আর্থিক সুবিধা নিইনি।” ধর্মপাশা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ এনামুল হক বলেন,“ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে থানায় মামলা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে।” |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
