|
বন্ধ হলো ‘ট্রাভেল বিজনেস’ এজেন্সি, আতঙ্কে শতাধিক সহযোগী প্রতিষ্ঠান
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() বন্ধ হলো ‘ট্রাভেল বিজনেস’ এজেন্সি, আতঙ্কে শতাধিক সহযোগী প্রতিষ্ঠান সকালে রাজধানীর প্রগতি সরণিতে প্রতিষ্ঠানটির অফিসে গিয়ে সহযোগী এজেন্সির মালিক ও টিকিট এজেন্টরা দেখেন, প্রধান কার্যালয়ের দরজায় তালা ঝুলছে। কিছুক্ষণ পর বিক্ষুব্ধরা অফিসে ভাঙচুর চালান এবং মালিকদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। অভিযোগ উঠেছে, প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. মঞ্জুরুল আলম ও ইমন আলম গ্রাহকদের শত শত কোটি টাকা নিয়ে গা ঢাকা দিয়েছেন। কয়েক সপ্তাহ ধরে ট্রাভেল বিজনেস পোর্টালের ওয়েবসাইট ও অ্যাপের মাধ্যমে করা টিকিট বুকিংগুলো বাতিল হচ্ছিল, রিফান্ডও পাওয়া যাচ্ছিল না। হঠাৎ অফিস বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায়। এর আগে মাত্র তিন দিন আগে একইভাবে বন্ধ হয়ে যায় আরেকটি জনপ্রিয় ট্রাভেল এজেন্সি ‘ফ্লাই ফার ইন্টারন্যাশনাল’। প্রতিষ্ঠানটির মালিকের বিরুদ্ধেও প্রায় এক হাজার কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সহযোগী এজেন্সি মালিকরা বিমান মন্ত্রণালয় ও আয়াটা (IATA)-এর কাছে দাবি করেন, যেসব টিকিট ট্রাভেল বিজনেস বা ফ্লাই ফার ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে ইস্যু হয়েছে, সেগুলোর রিফান্ড শুধুমাত্র প্রকৃত গ্রাহকদের কাছে দিতে হবে—মধ্যস্বত্বভোগী বা মালিকদের নয়। তাদের মতে, এমন পদক্ষেপ নিলে সাধারণ যাত্রীদের ক্ষতি কিছুটা কমানো সম্ভব হবে। বিমান খাতের একাধিক সূত্র জানায়, ট্রাভেল বিজনেস পোর্টাল দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে টিকিট বিক্রি, হোটেল বুকিং ও ভ্রমণ প্যাকেজ সেবা দিয়ে আসছিল। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি প্রচুর পরিমাণে অগ্রিম বুকিং নিয়ে সেই টাকায় আন্তর্জাতিক টিকিট কিনেছিল, কিন্তু নির্ধারিত সময়ে পেমেন্ট না দিতে পারায় আয়াটার সিস্টেম থেকে প্রতিষ্ঠানটির আইডি সাসপেন্ড হয়ে যায়। একজন ক্ষতিগ্রস্ত এজেন্সি মালিক বলেন, আমরা ট্রাভেল বিজনেসের মাধ্যমে টিকিট কেটেছিলাম প্রায় ৩০ লাখ টাকার। এখন গ্রাহক রিফান্ড চাইছে, কিন্তু মূল টাকা আটকে গেছে। আমরা একেবারে পথে বসে গেছি। বিমান মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো প্রতিষ্ঠান সাধারণ মানুষের টাকা নিয়ে পালিয়ে যেতে না পারে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
