|
মোটরসাইকেলের হেলমেটের যত্নে জেনে নিন কিছু টিপস
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() মোটরসাইকেলের হেলমেটের যত্নে জেনে নিন কিছু টিপস জেনে নিন হেলমেট পরিষ্কার করার নিয়ম: ভিতরের অংশ: অধিকাংশ হেলমেটের ফোম ও কাপড়ের অংশ আলাদা করা যায়। এগুলো শ্যাম্পু বা ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে রোদে শুকাতে হবে। যেসব হেলমেটের ইনার অংশ খুলে ফেলা যায় না, সেগুলো ভেজা কাপড় ও স্যাভলন/ডেটল দিয়ে মুছে নিতে হবে। বাইরের অংশ: শ্যাম্পু বা ওয়াশিং জেল ব্যবহার করে নরম কাপড় দিয়ে মুছে নিন। কড়া কেমিক্যাল বা শক্ত কাপড় ব্যবহার করবেন না। ভাইজর বা গ্লাস: এটি সবচেয়ে সেনসেটিভ অংশ। ধুলো জমলে সরাসরি কাপড় দিয়ে মুছবেন না। প্রথমে পানি বা এয়ার দিয়ে ধুলো ঝরিয়ে নিন, তারপর নরম কাপড় দিয়ে আলতোভাবে মুছুন। এয়ার ভেন্ট: নিয়মিত পরিষ্কার না করলে ধুলো জমে লকিং জয়েন্ট ও ভাইজর ল্যাচ নষ্ট হতে পারে। তাই ব্রাশ বা কটন বাড দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। হেলমেটের যত্নে যা করবেন না: সাবান বা কেমিক্যাল দিয়ে পরিষ্কার করবেন না।শক্ত কাপড় বা শুকনো টিস্যু দিয়ে মুছবেন না, এতে ভাইজরে স্ক্র্যাচ পড়ে।পার্টস খুলতে গিয়ে জোরাজুরি করবেন না।ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্লু ব্যবহার করবেন না, প্রয়োজনে শুধু রাবার গ্রেড গ্লু ব্যবহার করুন। হেলমেট সংরক্ষণের নিয়ম: হেলমেট সবসময় আলো-বাতাস চলাচল করে এমন শুষ্ক ও পরিষ্কার জায়গায় রাখুন। ড্রয়ার বা বন্ধ স্থানে রাখলে ফাঙ্গাস ও ভ্যাপসা গন্ধ হতে পারে। মাঝে মাঝে রোদে দিলে ঘামের গন্ধ দূর হবে। হেলমেটের ভেতরে পাতলা রুমাল ব্যবহার করলে প্যাডিং দীর্ঘদিন ভালো থাকবে। হেলমেট কবে পরিবর্তন করবেন? সাধারণ হেলমেট ১ বছর, আর স্ট্যান্ডার্ড হেলমেট ২-৩ বছর ব্যবহার করা যায়।দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হেলমেট আর ব্যবহার করবেন না।দীর্ঘদিন ব্যবহারে বাইরের শেল দুর্বল হয়ে যায়, ভিতরের ফোম ও ভাইজর আলগা হয়ে যায়—এ অবস্থায় হেলমেট যথেষ্ট সুরক্ষা দিতে পারবে না। উল্লেখ্য, একটি হেলমেট শুধু সুরক্ষার প্রতীক নয়, এটি বাইকারের রুচিরও বহিঃপ্রকাশ। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও যত্নে একটি হেলমেট দীর্ঘদিন ব্যবহারযোগ্য হয় এবং দুর্ঘটনার সময় আপনার মাথা বাঁচাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। তাই নিজের সেফটির জন্য অবশ্যই হেলমেটের সঠিক যত্ন নেওয়া জরুরি। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
