ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ২২ জুন ২০২৬ ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
গোপালগঞ্জের গ্রামে আধুনিক দোতলা মার্কেট
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Thursday, 4 September, 2025, 6:19 PM

গোপালগঞ্জের গ্রামে আধুনিক দোতলা মার্কেট

গোপালগঞ্জের গ্রামে আধুনিক দোতলা মার্কেট

গ্রামীণ অর্থনীতিকে গতিশীল করতে গোপালগঞ্জে নির্মিত হয়েছে পাঁচটি আধুনিক দোতলা মার্কেট। এগুলো হলো সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলীয়া বাজার, কাশিয়ানীর রামদিয়া ও মাজড়া বাজার এবং মুকসুদপুর উপজেলার উজানী ও খাঁদারপাড় বাজার।

প্রতিটি মার্কেটে রাখা হয়েছে কাঁচা বাজার, মুদি, মাছ-মাংস, হার্ডওয়্যার, গার্মেন্টস, কসমেটিকসসহ বিভিন্ন ধরনের দোকান। নারী ব্যবসায়ীদের জন্যও আলাদা দোকানের ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি আধুনিক সুবিধা হিসেবে রয়েছে শৌচাগার, ড্রেনেজ, প্রশস্ত অভ্যন্তরীণ সড়ক, সোলার সিস্টেম, অগ্নি-নির্বাপন ব্যবস্থা ও জলাশয়। প্রতিটি মার্কেট নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় তিন কোটি টাকা।

তবে নতুন মার্কেট গুলো পুরোপুরি চালু হতে কিছু বাধা রয়ে গেছে। চন্দ্রদিঘলীয়া মার্কেটে ২৬টি দোকানের জন্য আটবার আবেদন আহবান করা হলেও মাত্র পাঁচটি আবেদন জমা পড়েছে। রামদিয়া মার্কেটে ব্যবসায়ীদের আগ্রহ থাকলেও দোকান বরাদ্দ প্রক্রিয়া এখনো শুরু হয়নি। মাজড়া ও খাঁদারপাড় মার্কেটের নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং এ বছরের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে।

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, চন্দ্রদিঘলীয়া মার্কেটটি ২০২৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার মহসিন উদ্দিন গ্রহণ করেন। রামদিয়া মার্কেটটি ২০২৫ সালের ৬ মার্চ কাশিয়ানীর ইউএনও ফারজানা জান্নাত বুঝে নেন। মুকসুদপুরের উজানী মার্কেট ২০২৪ সালের ২০ মার্চ ইউএনও এস এম ইমাম রাজী টুলুর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, নতুন মার্কেট চালু হলে তারা নিরাপদ পরিবেশে ব্যবসা করতে পারবেন। তবে অবৈধ দোকানপাট ও খোলা বাজারের কারণে অনেকেই এখনো নতুন মার্কেটে দোকান নেননি। চন্দ্রদিঘলীয়া বাজারের ব্যবসায়ী অসীম বিশ্বাস বলেন, “নতুন মার্কেটে শনি ও মঙ্গলবার মাছের হাট বসে, কিন্তু অন্যদিন গুলোতে বাজার ফাঁকা থাকে। এতে ব্যবসা জমে না।” রামদিয়া বাজারের ব্যবসায়ী হামিম সিকদার বলেন, “সঠিক স্থান নির্বাচন ও প্রশাসনিক সমন্বয় থাকলে মার্কেট দ্রুত সক্রিয় হতো এবং সরকারও রাজস্ব পেত।”

তবে ব্যবসায়ীরা আশাবাদী। তারা মনে করছেন, নতুন মার্কেটে গেলে রোদ-বৃষ্টি কিংবা ঝড়-ঝঞ্ঝার ভেতরে আর দোকান চালাতে হবে না। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, শৌচাগার ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই উপকৃত হবেন।

এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী এহসানুল হক বলেন, “গ্রামীণ বাজারে চাপ বাড়ছিল। তাই বহুতল মার্কেট নির্মাণ জরুরি ছিল। কাজ শেষ হয়েছে। এখন প্রশাসন কার্যকর পদক্ষেপ নিলে ব্যবসায়ীরা দ্রুত সুফল পাবেন।”

জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, “সরকারি উদ্যোগে নির্মিত এসব মার্কেট ব্যবসায়ীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করবে, রাজস্ব বাড়াবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি চাঙ্গা করবে। প্রশাসনিক ও স্থানীয় সমস্যাগুলো সমাধান করে দ্রুত চালু করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status