|
চলনবিলে পাটের হাটে ফিরেছে পুরোনো ঐতিহ্য
সাব্বির মির্জা,তাড়াশ
|
![]() চলনবিলে পাটের হাটে ফিরেছে পুরোনো ঐতিহ্য তাড়াশ,রায়গঞ্জ ও উল্লাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষক তাদের সোনালী আঁশ নিয়ে আসে এ হাটে। সিরাজগঞ্জ, পাবনা, নাটোর জেলার আশপাশের পাটের ব্যাপারিরা এ হাটে আসেন পাট কিনতে। জাত ও মানভেদে প্রতি মণ পাট বেচা কেনা হচ্ছে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকায়। বর্তমানে বাজারে ভালো দাম থাকায় উৎপাদন খরচ পুষিয়ে লাভবান হচ্ছে এ অঞ্চলের পাট চাষিরা। উল্লাপাড়া থেকে পাট কিনতে আসা জাহিদুল ইসলাম জানান, প্রতি হাটে তিনি ৩০/৪০ মণ পাট সলঙ্গা হাট থেকে কিনে থাকেন। চৌবিলা গ্রামের কৃষক বাবু বলেন, ৩ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছিলেন। ভালো ফলন ও আশানুরুপ দামে পাট বিক্রি করতে পেরে খুশি তিনি। হাটের ইজারাদার মতিয়ার রহমান সরকার বলেন, এ হাটে সলঙ্গার বাইরে বিভিন্ন উপজেলা থেকে পাট ক্রয়-বিক্রয় করতে আসেন পাইকাররা। এবারের পাটের দাম ভালো থাকায় কৃষকদের ভিড় বেড়েছে। তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শর্মিষ্ঠা সেনগুপ্তা জানান, এ বছর বন্যায় পাটের তেমন ক্ষতি হয়নি। উপজেলায় পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রতি হেক্টরে প্রায় ১.৫ মেট্রিক টন পাটের উৎপাদন হয়েছে। উপজেলার পাটের হাট হিসেবে সলঙ্গা বাজার পাটের হাট অনেক আগে থেকে ব্যাপক পরিচিত বলেও উল্লেখ করেন তিনি। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
