|
উল্লাপাড়ায় পাটের আঁশ ছাড়াতে ব্যস্ত কৃষকরা
আল-আমিন,উল্লাপাড়া
|
![]() উল্লাপাড়ায় পাটের আঁশ ছাড়াতে ব্যস্ত কৃষকরা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবর্ণা ইয়াসমিন সুমী জানান, এ বছর উল্লাপাড়ায় ১ হাজার ৬৭০ হেক্টর জমিতে পাট আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যে প্রায় ১ হাজার ৩৪০ হেক্টর জমির পাট কর্তন সম্পন্ন হয়েছে। স্থানীয় কৃষকরা মূলত দেশী, তোষা, কেনাফ ও মেস্তা জাতের পাট চাষ করে থাকেন। বর্তমানে বাজারে সাধারণ মানের পাট মণপ্রতি ৩২০০ থেকে ৩৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বিশেষভাবে ভালো আঁশ হলে দাম ৪০০০ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে। কৃষি কর্মকর্তার মতে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর পাটের ফলন ভালো হয়েছে। ফলে কৃষকরা দাম পেয়ে কিছুটা হলেও স্বস্তি পাচ্ছেন। স্থানীয় কৃষকরা জানান, পাট চাষের সবচেয়ে কষ্টকর ধাপ হলো আঁশ ছাড়ানো। জমি থেকে পাট কেটে এনে পানিতে ১৫ থেকে ২০ দিন ডুবিয়ে রাখতে হয়। এরপর পচন ধরলে পানিতে নেমে আঁশ ছাড়াতে হয়। এই কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় কৃষকদের ঘন্টার পর ঘন্টা কোমরপানি বা বুকপানিতে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। এতে শরীর ভিজে নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ে। আরেকজন কৃষক বলেন, আমরা অনেক কষ্ট করে পানিতে দাঁড়িয়ে আঁশ ছাড়াই। শরীর ভিজে থাকে ঘন্টার পর ঘন্টা। তবুও আঁশ ছাড়ানো ছাড়া উপায় নেই। যদি কোনো যন্ত্র দিয়ে সহজে আঁশ ছাড়ানো যেত, তবে কৃষকের কষ্ট অনেকটা কমতো। পাট উল্লাপাড়ার গ্রামীণ অর্থনীতির অন্যতম ভরসা। পাট আঁশ বিক্রি করে কৃষকেরা নগদ অর্থ পান। আবার পাটখড়ি দিয়ে তৈরি হয় ঘরের বেড়া, জ্বালানি কিংবা গরু ছাগলের খাবার। এ কারণে পাটকে এখনও সোনালী আঁশ বলা হয়। স্থানীয় বাজার ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলায় ও রপ্তানি বাজারেও উল্লাপাড়ার পাটের ভালো চাহিদা রয়েছে। বর্ষাকালে উল্লাপাড়ার খাল-বিল, জলাশয়ে একসাথে হাজার হাজার আঁটি পাট ডোবানো থাকে। কয়েকজন কৃষক মিলে একসাথে নামেন পানিতে। হাতে আঁশ টেনে আলাদা করেন। এসময় পাশে ছোট ছেলেরা ও সাহায্য করে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর ১০০ ফুট অতিক্রম, বিদ্যুৎ উৎপাদন ২০৬ মেগাওয়াট
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে তীব্র যানজট, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয়দের তৎপরতা
কুড়িগ্রামে সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে শোকসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত
চট্টগ্রামের বন্যা শুরু হবার সাথে সাথে প্রতিমন্ত্রী হজ্বে আর প্রধানমন্ত্রী বরিশালে: হাসনাত আব্দুল্লাহ
