|
পঞ্চগড়ের চা বাগানগুলোতে মহামারি রূপে ছড়িয়ে পড়ছে পাতাপঁচা রোগ 'ডাইব্যাগ'
মুস্তাক আহমেদ, পঞ্চগড়
|
![]() পঞ্চগড়ের চা বাগানগুলোতে মহামারি রূপে ছড়িয়ে পড়ছে পাতাপঁচা রোগ 'ডাইব্যাগ' একদিকে পোকার আক্রমণ, অন্যদিকে নতুন এই পাতাপচা রোগে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন তারা। নানা ওষুধ প্রয়োগ করেও কাজ হচ্ছে না বলে দাবি তাদের। এভাবে বাগান বাঁচানোর লড়াইয়ে বেড়ে যাচ্ছে উৎপাদন খরচও। তাই চা পাতার ভালো দামেও স্বস্তিতে নেই চাষিরা। চাষিরা আরো জানান, এবার প্রচণ্ড খরার প্রভাব পড়ে চা শিল্পে। অন্যদিকে বাগানে লাল মাকড়, কারেন্ট পোকা ও লোফারের আক্রমণ ছিল অনেক বেশি। তাই কমে যায় চা পাতার উৎপাদনও। এই সংকটের মধ্যেই নতুন করে মরার ওপর খরার ঘায়ের মতো হাজির পাতাপচা রোগ। চায়ের আতুরঘর ক্ষেত শালবাহান রোডের পেদিয়া গছের চা চাসী ফারুক মন্ডল বলেন দ্রুত এই রোগ ছড়িয়ে পড়ছে বাগানগুলোতে। নরম ডগা কালচে রঙ ধারণ করে পচে শুকিয়ে যাচ্ছে। এখন চায়ের ভাল দাম পাচ্ছি প্রতিকেজি কাঁচা পাতা ২৪ থেকে ২৬ টাকা পর্যন্ত দাম দিচ্ছেন কারখানা মালিকরা। কিন্তু এই রোগের কারণে সঠিক পরিচর্যা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। একিই এলাকার চা চাষী সাঈদুর রহমান বলেন নতুন করে পাতাপচা রোগে আমরা দিশাহারা হয়ে পড়েছি। চা বাগান টিকিয়ে রাখতে সার-কীটনাশকসহ নানা ওষুধ প্রয়োগ করতে গিয়ে উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে যাচ্ছে। চা বাগানে আগের তুলনায় পরিশ্রম ও উৎপাদন খরচ অনেক বেড়েছে। সার পাওয়া যাচ্ছে না। লাল মাকড়, লোফার ও কারেন্ট পোকার আক্রমণের পাশাপাশি এখন নতুন সমস্যা পাতা পঁচা রোগ। ওষুধ প্রয়োগ করেও কাজ হচ্ছে না। এখন দাম বেশি হলেও আমাদের খরচও অনেক বেড়েছে। পঞ্চগড়ের সার ও কীটনাশক ব্যবসায়ী শামীম আল মামুন বলেন এই রোগটি বর্তমানে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ছে। চা চাষীরা আমাদের কাছে আসলে আমরা কপার অক্সিক্লোরাইড গ্রুপের সানভিট, হেমোক্সি, অথবা ব্লিটক্স ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকি। চা বোর্ডের পঞ্চগড় আঞ্চলিক কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফ খান বলেন, প্রচণ্ড খরা ও গরমের কারণে এবার চা বাগানে লাল মাকড়ের আক্রমণ হয়। পরে শুরু হয় লোফারের আক্রমণ। এগুলো দমনের পর শুরু হলো পাতাপচা রোগ। যাদের পাতাপচা রোগ হয়েছে, তাদের আমরা ছত্রাকনাশক অর্থাৎ কপার, হাইড্রোক্সাইট, অক্সিক্লোরাইট ছিটানোর পরামর্শ দিচ্ছি। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরো বলেন, প্রথম স্প্রের ১৫ দিনের মধ্যে দ্বিতীয় স্প্রে করতে হবে। এই পদ্ধতিতে পাতাপচা রোগ কমে যাচ্ছে। এই রোগের জন্য আমাদের উৎপাদন কমে গিয়েছিল। মাঝে কয়েক দিন পাতা পাওয়া গেছে তিন লাখ কেজি করে। এখন আবার তা বেড়ে পাঁচ |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
