|
যে যাবে বেড়খালী তার হবে পকেট খালি, রাত নামলেই ডাকাতের তাণ্ডব
সাব্বির মির্জা, তাড়াশ
|
![]() যে যাবে বেড়খালী তার হবে পকেট খালি, রাত নামলেই ডাকাতের তাণ্ডব জানা গেছে, কদিন আগেও রানীর হাট সড়কে গাছের গুড়ি ফেলে ডাকাতির চেষ্টা করে। স্থানীয়রা বিষয়টি জেনে পুলিশে খবর দেয়। স্থানীয়দের সচেতনতা ও পুলিশের প্রচেষ্টায় ডাকাতের দল ডাকাতি করতে ব্যর্থ হয়। তাড়াশের মাসুদ রানা নামে একজন মাইক্রোবাস চালক বলেন, রানীর হাট সড়কের বেরখালি এলাকায় ডাকাত দল আমার গাড়ির যাত্রীদের ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। রাত পৌনে নয়টার দিকে ঘটে ডাকাতির ঘটনা। একই সঙ্গে আরও তিনটি মাছবাহী গাড়িতে ডাকাতি হয়। ডাকাতির শিকার তাড়াশ ভিএস উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সাইদুর রহমান বলেন, বেরখালিতে ডাকাতের কবলে পড়েছিলাম। আমার আগে ট্রাক ও একটি মাইক্রোবাসে ডাকাতি হতে দেখি। সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার তালম ইউনিয়ন, বারুহাস ইউনিয়ন ও দেশীগ্রাম ইউনিয়নের সংযোগস্থল বেরখালি। এলাকাটি গুড়পিপুল ও গুল্টা গ্রামের মধ্যেখানে। অনেকটা জনবসতিহীন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রানীর হাট সড়কের বেরখালি সেতু থেকে গুল্টা সেতুর মাঝামাঝি স্থানে ডাকাতি হয়। সড়কের পাশের গাছ কেটে গাছের গুড়ি সড়কে ফেলে ডাকাতি করে। এদিকে তাড়াশ থানা পুলিশ জানিয়েছেন, দুর্গম এলাকা রানীর হাট সড়কের বেরখালি। আশপাশের অদূরে কোনো জনবসতি নেই। ৫ আগস্টের পর ডাকাতির ঘটনা বেড়ে যায়। পরে পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে। ডাকাতিও কমে এসেছে। তাড়াশ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জিয়াউর রহমান জানান, পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে। আগের তুলনায় ডাকাতি কমেছে। এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান বলেন, রানীর হাট সড়কে ডাকাতির বিষয়ে মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভায় আলোচনা হয়েছে। ডাকাতি প্রতিরোধে বেরখালি এলাকাতে সোলার লাইট স্থাপন করা হবে। বিধি মোতাবেক পুলিশ বক্স স্থাপন করা যায় কি না বিবেচনায় রয়েছে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
