|
গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার ট্রলারে গণ ডাকাতির সময় গুলিবর্ষণ, আহত অর্ধশত জেলে
ইব্রাহীম খলীল, পাথরঘাটা
|
![]() গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার ট্রলারে গণ ডাকাতির সময় গুলিবর্ষণ, আহত অর্ধশত জেলে ট্রলারে থাকা মাছসহ রসদ সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায় দস্যুরা। তবে দস্যু বাহিনীর নাম জানা যায়নি। বুধবার (৯ এপ্রিল) গভীর রাতে পাথরঘাটা থেকে ১২০ কিলোমিটার দক্ষিণ পূর্বে বড় বাইজদা এলাকায় এ গণ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জেলে ডাকাতি হওয়া ট্রলার মালিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন। ডাকাতি হওয়া ট্রলারের মধ্যে পাথরঘাটার সগির কোম্পানির মালিকানাধীন এফবি তারেক-২, এফবি তুফান-২, নুর মোহাম্মদের মালিকানাধীন এফবি রাজু ও সেলিম চৌধুরীর মালিকানাধীন এফবি মা। ১০টি ট্রলারের অন্তত ৬০ জেলের মধ্যে অর্ধশত জেলে গুলিবিদ্ধ ও মারধরে আহত হয়েছে। জেলেদের সকলের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। এফবি মা ট্রলারের মাঝি মনির হোসেনের বরাত দিয়ে মালিক সেলিম চৌধুরী বলেন, বুধবার গভীর রাতে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় হঠাৎ সশস্ত্র হামলা চালায় দস্যু বাহিনী। এ সময় জেলেরা বাধা দিলে ডাকাতরা ট্রলারে উঠে মারধর করে এবং দূর থেকে গুলি ছোড়ে। এতে দশটি ট্রলারের অন্তত ৫০ জন জেলে আহত হয়। প্রত্যক্ষদর্শী অপর একাধিক ট্রলারের জেলেরা আমাদের ফোনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তবে বাহিনীর নাম পাওয়া জানা যায়নি। তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত আমাদের জেলেদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারিনি, তারা নেটওয়ার্কের বাইরে আছে। জেলেদের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। এখন পর্যন্ত তারা কি অবস্থায় আছে বা চিকিৎসা নিতে পেরেছে কিনা এমন কোনো খবরও পাওয়া যায়নি। বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ডাকাতির খবর শুনে তাৎক্ষণিক আমরা পুলিশ সুপার এবং কোস্টগার্ডকে অবহিত করেছি। ডাকাতি হওয়া জেলেদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করছি। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
