|
ভাড়াটিয়া হয়ে জমির মালিকানা দাবি, জমি উদ্ধারে ৬২ ভূক্তভূগীর সংবাদ সম্মেলন
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() ভাড়াটিয়া হয়ে জমির মালিকানা দাবি, জমি উদ্ধারে ৬২ ভূক্তভূগীর সংবাদ সম্মেলন গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানার উত্তর খাইলকৈর পাকাব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় ধানসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জমির মালিক ৬২জনের মধ্যে প্রকল্পের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রমজান আলী আকন্দসহ অন্যরা জানান, নিজেদের কর্মব্যস্ততার কারণে প্রকল্প অফিস নিয়মিত ব্যবহার করা সম্ভব হতো না। এই সুযোগে তাদের প্রকল্পের তৎকালীন কেয়ারটেকার কফিল উদ্দিন ব্যবসার কথা বলে ১৯৯২ সালে ক্রয়কৃত জমিতে টিনশেড অফিসটি ২০১৩ সালে ভাড়া নেন। তিনি প্রথমে নিয়মিত ভাড়া পরিশোধ করে আসলেও পরবর্তীতে কয়েক মাস ভাড়া পরিশোধ না করে নিজেই ওই অফিস-সহ জমির মালিকানা দাবি করে বসেন। এছাড়া তিনি ওই জমিতে ভবনও নির্মান করেছেন। এমনকি বিগত ২০১৮ সালে মালিকানাবিহীন একটি দলিল তৈরি করে তার সম্বন্ধী স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী আহমদ আলীর সহযোগিতায় আবাসন প্রকল্পের অফিসসহ প্রায় ৫ শতাংশ জমি জবরদখল করে নেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। গণবিপ্লবে আ'লীগ সরকারেরর পতনের পর থেকে লিডিং দাতা স্থানীয় আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী আহমদ আলী পলাতক রয়েছেন বলেও জানা গেছে। বর্তমানে আবাসন প্রকল্পের কর্মকর্তারা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় বেদখল হওয়া ওই অফিস ও জমি উদ্ধারের উদ্যোগ নিলে আ’লীগ নেতা কফিল উদ্দিন ৮০ লাখ টাকা দাবি করেন। ওই জমিতে তার ৮০ লাখ টাকা খরচ হয়েছে বলে স্থানীয় সালিশে পরিশোধের দাবি জানান। এক পর্যায়ে থানা পুলিশ ও স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় বিভিন্ন মানবিক কারন দেখিয়ে ভবন নির্মান মূল্য বাবদ ২৫লাখ টাকায় রফাদফার সমাধান হয় লিখিত স্ট্যাম্পে। পরে তা অমান্য করে আম মুক্তার নামায় এক নারীকে দায়িত্বভার দেন জমি দখলের উদ্দ্যেশ্যে। জমিটি ওই ভাড়াটিয়া বিক্রিও করেছেন বলে জানান ভূক্তভূগীরা। এসব হয়রানি থেকে পরিত্রান পেতে ওই ভাড়াটিয়ার বিরুদ্ধে ৬২জন ভূক্তভূগী জমির মালিকরা সংবাদ সম্মেলন করে আইনী সহায়তায় সমাধান প্রত্যাশা করেছেন। এব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে কফিল উদ্দিনকে পাওয়া যায়নি। তবে তাঁর ছেলে হাবিবুর রহমান এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি ওই জমি ব্যাংকে বন্ধক রেখে এক কোটি টাকা লোন এনেছি। আমাদের কাগজপত্র সঠিক না থাকলে ব্যাংক লোন দিত না। প্রতিপক্ষের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তারা আদালতকে বিভ্রান্ত করে একতরফা একটি রায় এনে আমাদের জমি দাবি করছেন। আমরা ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছি। এসময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ওই জমির মালিক ৬২জন ভূক্তভূগীদের মধ্যে একাংশ। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
