|
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় ফুলকপি উৎপাদন খরচ ১৫ টাকা বিক্রি ৫ টাকা, মাঠেই নষ্ট করছে কৃষক
মো:সোলায়মান
|
![]() মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় ফুলকপি উৎপাদন খরচ ১৫ টাকা বিক্রি ৫ টাকা, মাঠেই নষ্ট করছে কৃষক কৃষকদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, প্রতি বিঘা জমিতে ১২ হাজার টাকার চারা লাগে। হালহাষে খরচ হয় ৩ হাজার টাকা। এছাড়া শ্রমিকের মজুরি সার কীটনাশকসহ অন্যান্য খরচ ১৮ হাজার ৭০০ টাকা। জমির মালিককে বছরে ২০ হাজার টাকা দিতে হয়। এভাবে প্রতি বিঘা জমিতে ফুলকপি চাষে ৩০-৩৫ হাজার টাকার বেশি খরচ হয়। প্রতি পিস চারা ৩ টাকা দিয়ে কিনে দুই মাসের বেশি সময় পরিচর্যা করে খরচ পড়ে ১০ টাকার ওপরে। জমি থেকে উত্তোলন করে বাজারে নিতে পরিবহন খরচসহ আরও ৫ টাকা ব্যয় হিসেবে প্রতি কপিতে খরচ ১৫ টাকা। আর এখন কপি বিক্রি করতে হচ্ছে ৫ টাকা। সাটুরিয়া উপজেলার কৃষক বাকি আট বিঘা জমির কপি খেতেই নষ্ট হচ্ছে। বিক্রি করতে পারছেন না। এখন খেত পরিষ্কার করতে ওইসব কপি কেটে ফেলে রাখছেন। কিছু গরুকে খাওয়াচ্ছেন। উপজেলার জান্নাগ্রামের রতন মিয়া জানায়, ফুলকপির ৫০হাজার চারা রোপন করেছিলেন তিনি। ২০ হাজার কপি বিক্রি করার পর দাম না পাওয়াতে খেতে ফেলে রেখেছেন তিনি। তার মতো তার গ্রামের সকল কপি চাষীদের অবস্থা একই। সাটুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন,চলতি রবি মৌসুমে উপজেলায় ২৪৯ হেক্টর জমিতে ফুল কপি ও ৫৫ হেক্টর জমিতে বাধাঁ কপির আবাদ করেছিল কৃষকরা। চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশি হওয়ায় চরম দাম কমে গেছে কপির। আগাম বিক্রি করে লাভবান হলেও বর্তমানে মারাত্নক লোকসান হয়েছে কপি চাষীদের। বিষয়টি আমরা কৃষি অধিদপ্তরে জানিয়েছি যদি সেখান থেকে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের কোন সহযোগীতা করা যায় তবে করবো। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
