ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ১৪ মে ২০২৬ ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩
মানিকগঞ্জের স‌াটু‌রিয়ায় ফুলক‌পি উৎপাদন খরচ ১৫ টাকা বি‌ক্রি ৫ টাকা, মাঠেই নষ্ট করছে কৃষক
মো:সোলায়মান
প্রকাশ: Friday, 24 January, 2025, 9:49 PM

মানিকগঞ্জের স‌াটু‌রিয়ায় ফুলক‌পি উৎপাদন খরচ ১৫ টাকা বি‌ক্রি ৫ টাকা, মাঠেই নষ্ট করছে কৃষক

মানিকগঞ্জের স‌াটু‌রিয়ায় ফুলক‌পি উৎপাদন খরচ ১৫ টাকা বি‌ক্রি ৫ টাকা, মাঠেই নষ্ট করছে কৃষক

গত বছরগুলোয় মানিকগঞ্জের সাটু‌রিয়ায় ফুলকপি বিক্রি করে বেশ লাভ পেয়েছিলেন কৃষক। সে আশায় চলতি মৌসুমে অধিক জমিতে কপি আবাদ করেছিল চাষীরা। শীতের শুরুতে ভালো দামও পেয়েছেন। প্রতি পিস বিক্রি করেছিল ৬০-৭০ টাকা পর্যন্ত। এখন ফুলকপির ভরা মৌসুম। উৎপাদনও বেড়েছে। তবে চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশি হওয়ায় দাম কমেছে। পাইকাররা চাহিদার অতিরিক্ত কপি কিনছেন না। সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় প্রতি পিস কপির দাম দিচ্ছেন ৫৬ টাকা। অথচ প্রতি পিস উৎপাদন ও বাজারজাত কর‌তে কৃষকের খরচ হয়েছে ১৫ টাকার বেশি। অনেকে বিক্রিও করতে পারছেন না শীতকালীন এ সবজি। এজন্য কেটে খেতেই ফেলে রাখছেন। কিছু কপি গরুকেও খাওয়াচ্ছেন।
 কৃষকদের সা‌থে আলাপ ক‌রে জানা যায়, প্রতি বিঘা জমিতে ১২ হাজার টাকার চারা লাগে। হালহাষে খরচ হয় ৩ হাজার টাকা। এছাড়া শ্রমিকের মজুরি সার কীটনাশকসহ অন্যান্য খরচ ১৮ হাজার ৭০০ টাকা। জমির মালিককে বছরে ২০ হাজার টাকা দিতে হয়। এভাবে প্রতি বিঘা জমিতে ফুলকপি চাষে ৩০-৩৫ হাজার টাকার বেশি খরচ হয়। প্রতি পিস চারা ৩ টাকা দিয়ে কিনে দুই মাসের বেশি সময় পরিচর্যা করে খরচ পড়ে ১০ টাকার ওপরে। জ‌মি থে‌কে উ‌ত্তোলন ক‌রে বাজা‌রে নি‌তে প‌রিবহন খরচসহ আরও ৫ টাকা ব‌্যয় হি‌সে‌বে প্রতি ক‌পি‌তে খরচ ১৫ টাকা। আর এখন ক‌পি বি‌ক্রি কর‌তে হ‌চ্ছে ৫ টাকা।

সাটুরিয়া উপজেলার কৃষক বাকি আট বিঘা জমির কপি খেতেই নষ্ট হচ্ছে। বিক্রি করতে পারছেন না। এখন খেত পরিষ্কার করতে ওইসব কপি কেটে ফেলে রাখছেন। কিছু গরুকে খাওয়াচ্ছেন।

উপ‌জেলার জান্নাগ্রামের রতন মিয়া জানায়, ফুলক‌পির ৫০হাজার চারা রোপন ক‌রেছি‌লেন তি‌নি। ২০ হাজার ক‌পি বি‌ক্রি করার পর দাম না পাওয়া‌তে খে‌তে ফে‌লে রে‌খে‌ছেন তিনি। তার ম‌তো তার গ্রা‌মের সকল ক‌পি চাষী‌দের অবস্থা একই।

সাটুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন,চল‌তি র‌বি মৌসু‌মে উপ‌জেলায় ২৪৯ হেক্টর জ‌মি‌তে ফুল ক‌পি ও ৫৫ হেক্টর জ‌মি‌তে বাধাঁ ক‌পির আবাদ ক‌রে‌ছিল কৃষকরা।
 চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশি হওয়ায় চরম দাম কমে গে‌ছে ক‌পির। আগাম বি‌ক্রি ক‌রে লাভবান হ‌লেও বর্তমা‌নে মারাত্নক লোকসান হ‌য়ে‌ছে ক‌পি চাষী‌দের। বিষয়‌টি আমরা কৃ‌ষি অ‌ধিদপ্ত‌রে জা‌নি‌য়ে‌ছি য‌দি সেখান থে‌কে ক্ষ‌তিগ্রস্থ কৃষক‌দের কোন সহ‌যোগীতা করা যায় ত‌বে কর‌বো।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status