ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ১২ জুন ২০২৬ ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
হাসিনার আগে যাদের রাজনৈতিক আশ্রয় জুটেছিল ভারতে
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Sunday, 18 August, 2024, 2:08 PM

 
হাসিনার আগে যাদের রাজনৈতিক আশ্রয় জুটেছিল ভারতে

হাসিনার আগে যাদের রাজনৈতিক আশ্রয় জুটেছিল ভারতে

ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পালিয়েছেন শেখ হাসিনা। ‘সাময়িকভাবে’ ভারতে থাকলেও হাসিনার চূড়ান্ত গন্তব্য এখনও পরিস্কার নয়।  ভারত এর আগে ১৯৭৫ পরবর্তী সময়েও শেখ হাসিনাকে ৬ বছর রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছিল।  

এবার দেখা যাক, হাসিনার মতো আর কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির আশ্রয় জুটেছিল ভারতে। যাদের মধ্যে আছেন তিব্বতের ধর্মীয় গুরু দালাইলামা থেকে শুরু করে বাংলাদেশের বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকি।

দালাই লামা (১৯৫৯)

তিব্বতে চীনা অভিযানের মুখে ১৯৫৯ সালে জন্মভূমি ছেড়ে ভারতে পালিয়েছিলেন তিব্বতী বৌদ্ধদের আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামা। যেটা ছিল স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে কোনও বিদেশি ধর্মীয় নেতাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার প্রথম ঘটনা। সেই থেকে আজ ৬৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারতেই রয়েছেন দালাই লামা।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকার (১৯৭১)

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকার পরিচালিত হয় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা থেকে। সেখানে ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, উপ রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, খন্দকার মোশতাক আহমদ, এম মনসুর আলী, এ এইচ এম কামরুজ্জামানরসহ প্রবাসী সরকারের আরো অনেকে।

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী (১৯৭৫)

১৯৭৫-এ শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের কিছুদিন পর জীবন বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কায় কাদের সিদ্দিকীকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয় ভারত। পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান শহরের একটি সরকারি ‘সেফ হাউসে’ বহু বছর কাটিয়েছিলেন তিনি।

মোহাম্মদ নাজিবুল্লাহ্ (১৯৯২)

মোহাম্মদ নাজিবুল্লাহ আহমদজাই। সোভিয়েতের সমর্থনে ১৯৮৬ থেকে ১৯৯২ সালের এপ্রিলে পর্যন্ত সোভিয়েতের সমর্থনে আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ১৯৯২ সালের এপ্রিলে ইসলামিক মুজাহিদীনরা কাবুল দখল করলে নাজিবুল্লাহ ভারতের কাছে আশ্রয় চান, তা মঞ্জুরও হয় সঙ্গে সঙ্গেই।  কিন্তু পরিবার ভারতে পাঠিয়ে দিলেও তিনি থেকে যান কাবুল। পরে তালেবান তাকে হত্যা করে।

মোহামেদ নাশিদ (২০১৩)

মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহামেদ নাশিদকে ২০১৩ সালে ভারত রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়। মোহাম্মদ নাশিদ ২০০৮ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তার রাজনৈতিক দল ডেমোক্রেটিক পার্টি ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত।

রাজা ত্রিভুবন শাহ (১৯৫০), রাজা জ্ঞানেন্দ্র (২০০৮)

১৯৫০ সালের নভেম্বরে নেপালের তখনকার মহারাজা ত্রিভুবন বীর বিক্রম শাহ তার ছেলে মহেন্দ্র, সব চেয়ে বড় নাতি বীরেন্দ্র ও পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে কাঠমান্ডুর ভারতীয় দূতাবাসে আশ্রয় নিয়েছিলেন।  

আর ২০০৮ সালে নেপালের রাজতন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে দেশটিকে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয়৷ এরপরই রাজা জ্ঞানেন্দ্রকে দু সপ্তাহের মধ্যে রাজপ্রাসাদ ছাড়তে বলে নেপালের সাংবিধানিক পরিষদ৷ জ্ঞানেন্দ্রকে আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্তে সায় দিয়েছিল দিল্লি। যদিও তিনি নেপাল ছাড়েননি।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status