ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
শেখ হাসিনাকে যুক্তরাজ্যে আশ্রয় দেয়া নিয়ে যা বললেন রুপা হক
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Saturday, 17 August, 2024, 8:13 PM

শেখ হাসিনাকে যুক্তরাজ্যে আশ্রয় দেয়া নিয়ে যা বললেন রুপা হক

শেখ হাসিনাকে যুক্তরাজ্যে আশ্রয় দেয়া নিয়ে যা বললেন রুপা হক

বাংলাদেশে কয়েক সপ্তাহের ছাত্র-গণআন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর থেকেই বিভিন্ন দেশে হাসিনার রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছিল, তিনি যুক্তরাজ্যে আশ্রয় চেয়েছিলেন। তবে এ ব্যাপারে যুক্তরাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কিছু জানানো হয়নি।


এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ সংসদ সদস্য রুপা হক শেখ হাসিনাকে নিয়ে যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য স্ট্যান্ডার্ডে একটি নিবন্ধ লিখেছেন। সেখানে তিনি ব্যক্তিগতভাবে শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেয়ার পক্ষপাতী নন বলে জানিয়েছেন। 
 
লেবার পার্টির সংসদ সদস্য রুপা হক হাসিনার পদত্যাগকে ইরাকের সাদ্দাম হোসেনের ক্ষমতাচ্যুতির সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি লিখেছেন, ইরাকে সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়ার পর যেমন চিত্র দেখা গিয়েছিল; হাসিনার ক্ষেত্রেও ঢাকা শহরে একই চিত্র দেখা গেছে। জাতির পিতার ভাষ্কর্য ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে; কুশপুত্তলিকা পোড়ানো হয়েছে। টাওয়ার হ্যামলেটসও এর আঁচ থেকে বাদ যায়নি।

চীনের তিয়েনআনমেন স্কয়ারের সঙ্গে হাসিনার পতনকে তুলনা করে রুপা বলেছেন, জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনা স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বেশি সময় ধরে বাংলাদেশকে স্বৈরতান্ত্রিকভাবে শাসন করেছেন। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে গণতন্ত্রপন্থি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়। ক্রমে তা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে দেশজুড়ে। 
 
তিনি লিখেছেন, আন্দোলনের সময় ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছিল যাতে বর্হিবিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ বাধাগ্রস্ত করা যায়। কীভাবে গুলি করে শত শত মানুষকে মেরে ফেলেছে হাসিনা সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।   
 
এক পর্যায়ে ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। রুপা হক লিখেন, ‘হাসিনার পতনের পর যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশিরা পূর্ব লন্ডনের রাস্তায় নেমে এসেছিল। তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পাওয়া একজন প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতাচ্যুতিতে উল্লাস করছিল।’
 
একজন বৃটিশ বাংলাদেশী এমপি হিসেবে বাংলাদেশের এই ইস্যুতে অনলাইনে অনেক প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছেন বলে জানান রুপা।

তিনি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি তার মতো একজন অ-জনপ্রিয় এবং অভিবাসন নিয়ে রাজনৈতিক সংবেদনশীলতার কারণে এমন একজন হাই প্রোফাইল আশ্রয়প্রার্থীকে যুক্তরাজ্যে আশ্রয় দেয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। এছাড়া অনেক বাংলাদেশি মনে করেন, তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।


এদিকে বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা থেকে উত্তরণে দেশটিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়েছে এবং নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এরইমধ্যে বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
 
তবে হাসিনার যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরোধীদেরকে ‘ইসলামিস্ট’ লেবেল দিয়ে কয়েকটি ভিডিওর সমালোচনা করেছেন রুপা। জয় উল্লেখ করেন, তার মা দেশে ফিরে আসবেন।
 
এ বিষয়ে রুপা হক বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে রাজনৈতিক দুই পরিবারের মধ্যে পুরানো শত্রুতার পরিবর্তে যখন প্রকৃত অবাধ নির্বাচন হবে তখনই গণতন্ত্র ফিরবে দেশটিতে। এখনই এর উপযুক্ত সময়, জানান ব্রিটিশ এই সংসদ সদস্য। 

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status