|
ভারতীয় নাগরিকের হৃদপিণ্ডে বাঁচলো পাকিস্তানের আয়েশার প্রাণ
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() ভারতীয় নাগরিকের হৃদপিণ্ডে বাঁচলো পাকিস্তানের আয়েশার প্রাণ এটি এক ধরনের লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম। কিন্তু আয়েশার একটি ভালভ ফুটো হয়ে যায়। চিকিৎসকরা জানান, সম্পূর্ণ হার্ট ট্রান্সপ্লান্ট ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। এর জন্য খরচ করতে হবে ৩৫ লাখ টাকা। কিন্তু আয়েশার পরিবার ট্রান্সপ্লান্ট প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বহন করতে তাদের অক্ষমতা প্রকাশ করে। এরপরে চেন্নাইয়ের হাসপাতালের চেষ্টাতেই হার্ট ট্রান্সপ্লান্টের ব্যবস্থা করা হয়। দিল্লি থেকে হার্ট আনা হয় এবং সফলভাবে অস্ত্রোপচার করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আয়েশার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেই সে পাকিস্তানে ফিরে যেতে পারবে। জটিল অস্ত্রোপচার করার জন্য এক টাকাও নেননি সার্জন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। আয়েশা তার চিকিৎসা ও সহায়তার জন্য সংশ্লিষ্ট ডাক্তার ও ভারত সরকারকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। আয়েশার মা, সানোবার স্মরণ করেছেন, চিকিৎসা শুরুর আগে আয়েশা শুধুমাত্র ১০ শতাংশ জীবনীশক্তি নিয়ে বেঁচে ছিল। তিনি বলেন, সত্যি কথা বলতে গেলে, ভারতের তুলনায় পাকিস্তানে ভালো কোনো চিকিৎসা সুবিধা নেই। আমি ভারতকে খুব বন্ধুত্বপূর্ণ মনে করি। যখন পাকিস্তানে ডাক্তাররা বলেছিল যে সেখানে ট্রান্সপ্লান্ট সুবিধা নেই, তখন আমরা ডা. কে আর বালাকৃষ্ণনের সাথে যোগাযোগ করি। আমি ভারত এবং ডাক্তারদের ধন্যবাদ জানাই। ভারতে একটি হার্ট ট্রান্সপ্লান্টে ৩৫ লাখ রুপির বেশি খরচ হয়। এই বিলটি মিটিয়েছেন হাসপাতালের ডাক্তার এবং ঐশ্বর্য্যন নামক একটি ট্রাস্ট। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রাশান দ্রুত হার্ট পেয়েছিলেন কারণ দ্বিতীয় কোনো দাবিদার ছিল না। অন্যথায় একজন বিদেশী প্রাপক এতো তাড়াতাড়ি কোনো অঙ্গ পেতে পারে না। গত কয়েক দশক ধরে তামিলনাড়ু অঙ্গ দান এবং প্রতিস্থাপনে অনেকটাই অগ্রগতি দেখিয়েছে। চিকিৎসকরা অঙ্গ প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে আরো ভালো নীতির জন্য সরকারের কাছে আবেদন করেছেন। তাদের দাবি, ট্রান্সপ্লান্ট সার্জারির উচ্চব্যয়ের কারণে বেশ কয়েকটি দান করা অঙ্গ বাতিল করা হয়েছে। কারণ বেশিরভাগ লোকের পক্ষে এই অস্ত্রোপচারের খরচ বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। সূত্র : এনডিটিভি। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
