|
মসলা ব্যবসায়ী ভূয়া সাংবাদিক সহিদুলসহ ২জন চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার
আহম্মেদুল কবির, কুড়িগ্রাম
|
![]() মসলা ব্যবসায়ী ভূয়া সাংবাদিক সহিদুলসহ ২জন চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার গ্রেফতারকৃত ওই ভূয়া সাংবাদিকদের আদালতে প্রেরণ করা হলে বিজ্ঞ আদালত তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ওই ভূয়া সাংবাদিকদ্বয় বেশ কিছুদিন থেকে একটি ভূয়া সাংবাদিক দল তৈরী করে জেলার বিভিন্ন জায়গায় বিশেষ করে জেলা সদরের আশপাশের গ্রামগঞ্জে মোটর সাইকেলে স্টিকার লাগিয়ে মহড়া দিয়ে বেড়াত এবং গ্রাম গঞ্জের কোন ঘটনা ঘটলে সেখানে গিয়ে হুমড়ী খেয়ে পড়তো এবং বিভিন্ন দেনদরবার করে বিভিন্ন ভাবে চাঁদাবাজি করে আসছিল। এরি মধ্যে গত ২২ জানুয়ারি ধরলা নদীর তীর রক্ষা বাঁধের নির্মাণ কাজের এস কে এমদাদুল হক আল মামুন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানে গিয়ে কাজে দূর্নীতি হচ্ছে, কাজ আটকিয়ে দেব, নিউজ করবো, বিল উত্তোলন করতে দেবনা এমন বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি দেখিয়ে নামধারী ও দুই ভূয়া সাংবাদিক ঠিকাদারী প্রতিষ্টানটির সাব ঠিকাদার জাহিদুল ইসলামের নিকট ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আটককৃত ওই দুই ভূয়া সাংবাদিক সাব ঠিকাদার জাহিদুল ইসলামের সাথে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি- মারধর শুরু করে। এ সময় লেবার পেমেন্টের জন্য সাব ঠিকাদার জাহিদুলের কাছে থাকা ৮০ হাজার টাকা ওই ভুয়া সাংবাদিকদ্বয় ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় সাব ঠিকাদার জাহিদুল ইসলাম ৩০ জানুয়ারি সদর থানায় ছিনতাই ও চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করে। পুলিশ গতকাল বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে ওই দুই ভূয়া সাংবাদিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। বুধবার সকালে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হলে বিঞ্জ আদালত তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করে। এব্যাপারে ৭১ টিভির কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি ও প্রেসক্লাব কুড়িগ্রাম- সভাপতি জনাব মোস্তাফিজুর রহমান রাজুু ভূয়া সাংবাদিক গ্রেফতারের বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারকে ধন্যবাদ জানান এবং একই সাথে এধরনের ভূয়া সাংবাদিকদের বিষয়ে কুড়িগ্রামের সর্ব স্তরের মানুষজনকে সজাগ থাকার আহবান জানান। তিনি বলেন, কুড়িগ্রামে ভূয়া সাংবাদিকদের অত্যাচারে সাধারণ মানুষজন অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। এদের চিহ্নিত করে প্রত্যেককেই আইনের আওতায় আনতে হবে। এরা যেখানেই চাঁদাবাজি করতে যাবে দেখামাত্র শোনামাত্র পুলিশকে জানানোর জন্য সকলকে অনুরোধ করেন।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
