স্বামী-স্ত্রীর ছাড়াও সম্পর্কে তারা খালাতো ভাই-বোন ছিল।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জের ধরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে হত্যাকাণ্ডের কোনো কারণ জানাতে পারেনি।
জানা যায়, খালাতো ভাই-বোন প্রেম করে এক বছর আগে বিয়ে করে। বিয়ের পর মাইজদীর বসুন্ধরা কলোনীতে শাশুড়ির বাসায় থাকতেন শুভ। ওই বাসায় তামান্নার মা ও ভাই থাকতেন। সোমবার সকালে তাদের কক্ষ থেকে শুভ ও তামান্নার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন করেন তামান্নার ভাই হোসেন আহমেদ নোমান। খবর পেয়ে সুধারাম মডেল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে তাদের দু’জনের লাশ উদ্ধার করে।
সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে স্বামী প্রথমে স্ত্রীর গলা কেটে হত্যা করে। পরে ফ্যনের সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করে। হত্যার রহস্য উদঘাটনে পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।