ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
রোববার ২১ জুন ২০২৬ ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
ঠান্ডার তীব্রতায় কুড়িগ্রামের জনপথ স্থবির
আহম্মেদুল কবির, কুড়িগ্রাম
প্রকাশ: Tuesday, 9 January, 2024, 11:48 PM

ঠান্ডার তীব্রতায় কুড়িগ্রামের জনপথ স্থবির

ঠান্ডার তীব্রতায় কুড়িগ্রামের জনপথ স্থবির

নির্বাচনী তীব্রতা শেষ হতে না হতেই পৌষের শেষে গতকাল কুড়িগ্রাম ছিলো শীতের তীব্রতায় মোড়ানো এক বিস্তীর্ণ জনপথ।স্থবির হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবন। সারাদিন সূর্যকে দেখা যায়নি। কণকনে হাড কাঁপানো ঠান্ডায় শ্রমজীবি নিম্ন আয়ের মানুষজন পড়েছে বিপাকে।

কুড়িগ্রাম রাজারহাট আবহাওয়া কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, গতকাল সকাল ৭ টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিকেল থেকে তাপমাত্রা আরো কমতে থাকে। এরকম তাপমাত্রা আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় কাছাকাছি হওয়ায় দুপুর পর্যন্ত বেশী ঠান্ডা অনুভূত হয়েছে।

এ অবস্থায়  তৃণমূল পর্যায়ের দরিদ্র শ্রেণীর শ্রমজীবি নিম্ন আয়ের মানুষজন গরম কাপড়ের অভাবে সবচেয়ে বেশি কাহিল হয়ে পড়েছে। গ্রামগন্জে দিনমজুর শ্রেণীর মানুষজন কাজে না গিয়ে খঁড়কুটোয় আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা করছে।

কণকনে ঠান্ডায় কাহিল কুড়িগ্রাম শহরের সওদাগড় পাড়ার খোতেজা বেগম এবং তার স্বামী দেলদার মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ত্রাণ দেয়ার নামে যত কম্বল আইসে সউগে যায় চরের মাইনষ্যের জন্যে। শহরের গরীব মাইনষ্যের কী শীত নাগে না। হামার গুল্যাকও কম্বল দেও। নইলে এই শীতোত হামরা  মরি যামো। একই ধরনের দাবি জানায় সেখানে উপস্থিত অন্যান্য সওদাগর নারী পুরুষ। অপরদিকে কনকনে ঠান্ডার দাপটে গতকাল সন্ধার পরপর শহর মানুষজন ফাঁকা হতে দেখা যায়। রাত ৯ টার মধ্যে শহরের প্রায় সব দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। ভাসমান কিছু মানুষজন ফুটপাতের ভাপাপিঠার দোকান ও চায়ের দোকানগুলোতে আড্ডা মারতে দেখা গেলেও রাস্তায় তেমন কোন যানবাহন চলছিলো না। এসময় কিছুটা কুয়াশা দেখা যায়। শহরের ঘোষপাড়ার চায়ের দোকানদার ওহাব মিয়া জানায়, ভাই শীতের এই মৌসুমে আজকের মতো ঠান্ডা আর কোনদিন লাগে নাই, মানুষজন নাই, তাই বেচাকিনিও নাই।

উল্লেখ্য যে, গতকাল কুড়িগ্রামের কোথাও সূর্য দেখা না গেলেও কুয়াশা ছিলনা, দুরপাল্লার বাস ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহন চলছিলো স্বাভাবিক নিয়মে। তবে কুয়াশা ও বাতাস কিছু না থাকার পরেও প্রকৃতির বৈরি আচরনে কনকনে ঠান্ডার এ ধরনের তীব্রতা মানুষকে শংকায় ফেলেছে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status