|
চট্টগ্রাম নগরীতে অটোরিকশা'র দৌরাত্ম্যে, অলি-গলি দাপিয়ে বেড়াচ্ছে
ইসমাইল ইমন
|
![]() চট্টগ্রাম নগরীতে অটোরিকশা'র দৌরাত্ম্যে, অলি-গলি দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় নগরীর ব্যস্ততম এলাকা বাকলিয়া, চকবাজার, ডবলমুড়িং ও বায়জিদ থানা এলাকার। চকবাজার ধনিয়ার পুল, রাহাত্তার পুল,দেওয়ান বাজার, একসেস রোড,শান্তি নগর,চাক্তাই,বক্সির হাট,টেরি বাজার সড়ক, আগ্রাবাদ বড়পোল ও বায়েজিদ,শের শাহ বাংলা বাজার এলাকায় সকাল, সন্ধ্যা সড়কে বেপোরোয়া ভাবে দাফিয়ে বেড়াচ্ছে শত শত এই অবৈধ ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা। সড়কের আশেপাশের দোকানদার ও পথচারীরা জানান স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রছায়ায় ও ট্রাফিক পুলিশের কিছু অসাধু সদস্যদের দৈনিক ও মাসিক মাসোহারা দিয়ে এই সব অটোরিকশা অলি-গলি ফেরিয়ে মুল সড়কে বেপরোয়া গতিতে দাফিয়ে বেড়ায়। সড়কে প্রতিনিয়তই দূর্ঘটনার শিকার হয় স্কুল, মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও অফিস আদালতে যাওয়া আসা করা পথচারীরা। বিশেষ করে সকালে ও সন্ধ্যায় নিজ নিজ গন্তব্যেতে যাওয়া ও ফেরার পথে এই সব যানবাহনের কারণে যানজটের ভোগান্তিতে পরতে হয়। এই সব বিষয়ে চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনজুরুল কাদের মজুমদারের সাথে কথা বললে, তিনি জানান চকবাজার ধুনিরপোল এলাকায় আমাদের নিয়মিত টহল দল সক্রিয় থাকে,কিন্ত রাহাত্তার পুল অংশ বাকলিয়া থানার আন্ডারে।ঐদিক থেকেই অলি- গলি ফেরিয়ে এই সড়কের চলে আসে অটোরিকশা গুলো,ঐদিকে সংশ্লিষ্ট থানা টহল জোরদার ও তদারকি করলে এই সব অটোরিকশা অলি-গলি ফেরিয়ে মুল সড়কে আসতে পারবেনা, তাদের দৌরাত্ম্যেও কমে আসবে।এই সব অটোরিকশা থেকে থানার নামে ক্যাশিয়ার পরিচয়ে টাকা আদায়ের বিষয়ে জানতে চায়লে তিনি জানান এই সব মিথ্যা ভিত্তিহীন,যদি থানার সেই রকম কেউ জড়িত আছে প্রমান থাকে অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে। অপরদিকে এইসব বিষয়ে বাকলিয়া থানার নব নিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আফতাব হোসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান চসিক কতৃপক্ষ যদি আমাদেরকে এইসব অবৈধ অটোরিকশা ও সড়কজুড়ে অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদের বিষয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার চিঠি দেন, তাহলে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নিবো।একক ভাবে ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব নয়। চসিক'র সচিব আবুল হাশেম'র সাথে এই বিষয়ে জানতে তার মুঠোফোনে কল করেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
