৪ থানা এলাকায় বৈদ্যুতিক ট্রানফরমার ও তার চোর দলের অর্ধডজন গোডাউন!
রাজধানীর চার থানা এলাকায় কমপক্ষে অর্ধডজন গোডাউন ভাড়া নিয়ে রাখা হয় চোরাই বৈদ্যুতিক সরাঞ্জামাদী। ধরা পরার ভয়ে আবার এ সব চোরেরা কিছু কিছু সরাঞ্জামাদি সাথে সাথে গলিয়ে ফেলে বিক্রি করে দেয়। সম্প্রতি পুলিশের হাতে চোর দলের সদস্য ও ট্রানসফরমার চোর দলের হোতা গোয়েন্দা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন।
ওই সময় শরীফ জানান, রাজধানীর কয়েকটি থানা এলাকায় তাদের গোডাউন রয়েছে। পুলিশ, রাজনৈতিক নেতাদের ম্যানেজ করেই ওই সব গোডাউনে চোরাই মালামাল রাখে। তিনি আরো জানান. সারাদেশেই তাদের সদস্যরা আছে। তবে চোর দলের মূলহোতা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম তার বাবা শাহেদ আলী হাওলাদার গ্রামের বাড়ি চিরাগড়া পোস্ট পারসাতুরিয়া,কাউখালী পিরোজপুর। তার দলের অপর সদস্যরা হলো,তৌহিদ, নাহিদ, কালু,আবুল হোসেন, শরীফ, শামীম, মণ্টু, পোড়া জাহাংগীর, সবুজ। জানা গেছে সাইফুল ইসলাম ঢাকা থেকে বড় বড় মাদকের চালান এনে পিরোজপুর সাপ্লাই দেন। তিনি অত্র এলাকার মাদকের ডিলার।
সম্প্রতি ডিবির ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেছিলেন, সারা দেশেই একটি চক্র দেশবিরোধী চক্রান্তের অংশ হিসেবে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার, বৈদ্যুতিক লাইন সংযোগ ও বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। এতে বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে, বিদ্যুতের সংযোগ না পেয়ে মানুষ কষ্ট করছে। এ ধরনের কাজ যারা করছেন তাদের মূলহোতাকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি।
তিনি আরো বলেছিলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে ডিবি প্রধান বলেন, শরিফ স্বীকার করেছে যে, বিদ্যুৎ বিভাগের সাব-কন্ট্রাক্টরদের যোগসাজসে এই চক্রটি চুরির কাজটি করে থাকে। ফলে একদিকে যেমন বিদ্যুৎ বিভ্রাট তৈরি করছে, অন্যদিকে সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি করছে। এমন বক্তব্যের পরও আইনের ফাঁক গলিয়ে বেড়িয়ে আসে চোর দলের মূল হোতা।