ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শনিবার ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ১২ বৈশাখ ১৪৩৩
বাড়ছে রূপান্তরকামিতা
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Saturday, 6 August, 2022, 10:06 AM

বাড়ছে রূপান্তরকামিতা

বাড়ছে রূপান্তরকামিতা

রূপান্তকামী বলতে সাধারণত নারী থেকে পুরুষ এবং পুরুষ থেকে নারীতে পরিণত হওয়ার আকাঙ্ক্ষা বোঝায়। যেকোনো মানুষ চাইলেই ‘রূপান্তরিত’ হতে পারেন বলে মনে করেন চিকিৎসকরা। তাদের মতে, আচরণের বৈশিষ্ট্য অনুসারে কেউ চাইলে পুরুষ বা নারীতে রূপান্তরিত হতে পারেন। রূপান্তরকামীদের কেউ কেউ বলছেন, বাংলাদেশে ‘সার্জিক্যাল’ রূপান্তরের বিষয়ে কোনো আইন না থাকায় এ ‘স্বাভাবিক-সহজাত’ কর্মকাণ্ড চলছে অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে।

আবার সমাজেও বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নেওয়া হয় না। এ কারণে অনেকে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে সার্জারির মাধ্যমে রূপান্তরিত হয়ে আসছেন। আবার কেউ কেউ দেশের ভেতরে গোপনে ‘সার্জিক্যালি রূপান্তরিত’ হচ্ছেন। এমন প্রেক্ষাপটে গত ২৯ জুলাই রাতে ‘সার্জিক্যাল রূপান্তর’ প্রক্রিয়ায় জড়িত ভুয়া চিকিৎসক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

অধিকারকর্মীরা বলছেন, বাংলাদেশে ‘হিজড়া’ ও ট্রান্সজেন্ডারদের সঠিক কোনো পরিসংখ্যান নেই। তেমনি সার্জারির মাধ্যমে রূপান্তরিতদেরও সুনির্দিষ্ট সংখ্যা সংক্রান্ত তথ্য নেই। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে সার্জিক্যালি রূপান্তরিত মানুষের সংখ্যা অর্ধ লাখের মতো হবে।  

আইন ও চিকিৎসার সহজলভ্যতা না থাকা এবং গোপনীয়তার কারণে রূপান্তরিত হতে গিয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন রূপান্তরকামীরা। অন্যদিকে ‘গোপনীয়’ বলে আর্থিকভাবে লাভবান হতে বা অর্থ হাতিয়ে নিতে বিভিন্ন ধরনের অপরাধী সিন্ডিকেটও গড়ে উঠেছে। এসব বিষয় নিয়ে খোলামেলা কথা বলতে চাননি রূপান্তরকামীরা। তাদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোও সামাজিক মর্যাদা বিবেচনা করে পরিচিত গোপন রাখার কথা জানায়।

সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, কোনো শিশুর লৈঙ্গিক পরিচয় শৈশবেই স্পষ্ট হয়। আবার কারও শিশু বয়সে নির্দিষ্টভাবে বোঝা না গেলেও বয়োসন্ধিকালে ধরা পরে। একইভাবে কাউকে দেখতে ছেলে মনে হলেও তার আচরণ মেয়ের মতো হয়। এদের চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করা সম্ভব। অন্যদিকে যারা চিকিৎসার বাইরে থাকেন এবং কোনো গোষ্ঠীর সঙ্গে মেশেন তাদের সমাজে ‘হিজড়া’ আখ্যা দেওয়া হয়। জন্মগত এসব ত্রুটির বাইরেও অনেক স্বাভাবিক ছেলেমেয়ে বা নারী-পুরুষের মধ্যেও হরমোন পরিবর্তনের কারণে এ জাতীয় সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে এসব ক্ষেত্রে যথাযথ চিকিৎসা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

রূপান্তরকামিতা নিয়ে যা বলছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) শিশু সার্জারি বিভাগের কনসালট্যান্ট সার্জন ডা. মো. নজরুল ইসলাম সময়ের আলোকে বলেন, সাধারণত একটি শিশু ছেলে অথবা মেয়ে হিসেবে জন্ম নেয়। এর বাইরে কারও কারও ‘লিঙ্গ বিকাশজনিত ত্রুটি’ হতে পারে। এ ত্রুটির কারণে তার লৈঙ্গিক পরিচয় স্পষ্ট হয় না। এ ধরনের ত্রুটিজনিতদের সঠিক সময়ে চিকিৎসা দেওয়া হলে পুরোপুরি সুস্থ হওয়া সম্ভব। ট্রান্সজেন্ডারের থেকে ব্যতিক্রম জানিয়ে এ চিকিৎসক বলেন, ট্রান্সজেন্ডার বলতে কারও নির্দিষ্ট জেন্ডার ছিল, কিন্তু তিনি সেটি পরিবর্তন করতে চাচ্ছেন। অর্থাৎ কেউ ছেলে হিসেবে জন্ম নিয়েছেন, কিন্তু তার সেই জেন্ডার ভালো লাগে না, তখন সার্জিক্যালি লৈঙ্গিক রূপান্তর ঘটালে তাদের ট্রান্সজেন্ডার বলা হয়।

অধিকারকর্মীরা যা বলছেন
রূপান্তরকামীদের অধিকার নিয়ে কাজ করেন এমন বিভিন্ন সংস্থার কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রত্যেক শিশু পুরুষ অথবা নারী হয়ে জন্ম নেয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে ৭-৮ বছর হলে একটা সময় কারও কারও ক্ষেত্রে জন্মগতভাবে আকৃতিতে পুরুষের মতো হলেও তার আচরণ ও মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা একজন নারীর মতো হয়। এ ক্ষেত্রে তিনি নারীর মনস্তত্ত্ব ধারণ করলেও সমাজ, রাষ্ট্র ও আইনগত নানা বিধিনিষিধের কারণে পরিপূর্ণভাবে প্রকাশ্যে নারীর বৈশিষ্ট্য লালন করতে পারেন না। সংশ্লিষ্টরা বলেন, রূপান্তরের প্রক্রিয়া শুধু সার্জারির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এমন অনেকে আছেন, যিনি নিজেকে নারী হিসেবে দেখতে চান; কিন্তু সার্জারির মাধ্যমে রূপান্তর করেননি। তিনি কেবল নারীর মতো পোশাক পড়েন, নারীদের মতো সাজগোজ করতে ভালোবাসেন। আবার অনেকে আছেন যারা নিজেদের নারী হিসেবে দেখতে চান এবং সার্জারির মাধ্যমে নিজেকে পরিপূর্ণ নারীতেও রূপান্তর করেন।

রূপান্তর হওয়া ব্যক্তিরা যা বললেন
দেশের বাইরে সার্জারির মাধ্যমে রূপান্তর করিয়েছেন এমন কয়েকজনের সঙ্গে কথা হয়েছে এ প্রতিবেদকের। তারা সময়ের আলোকে বলেন, সার্জারির ক্ষেত্রে আমাদের দেশে প্রধান বাধা হলো আইন। এ ছাড়া পারিবারিক, সামাজিক ও ধর্মীয় কারণে রূপান্তরকামীদের প্রতি এখনও এক ধরনের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বিদ্যমান। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতসহ বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রে সার্জারির মাধ্যমে রূপান্তরের বৈধতা দেওয়া হলেও আমাদের দেশে সেটি হয়নি।

সম্প্রতি দেশের বাইরে সার্জিক্যালি রূপান্তরিত হয়েছেন একজন ‘নৃত্যশিল্পী’। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি সময়ের আলোকে বলেন, প্রত্যেকে একটি নির্দিষ্ট পরিচয় নিয়ে বাঁচতে চায়। এ কারণে যে বা যারা সার্জারির মাধ্যমে রূপান্তরিত হতে চাচ্ছেন তারা হয় দেশের বাইরে যাচ্ছেন, নয়তো দেশের ভেতরে গোপনে গড়ে ওঠা গোষ্ঠীর কাছ থেকে সার্জারি করাচ্ছেন। এটাও নির্ভর করে আর্থিক ও সামাজিক অবস্থানের ওপর। কারও আর্থিক অবস্থা ভালো থাকলে তিনি দেশের বাইরে গিয়ে সার্জারি করিয়ে আসছেন। এ ক্ষেত্রে শরীরের নানা অঙ্গের সার্জারির ওপর নির্ভর করে অর্থের হিসাব হয়।

ভারতে সার্জারি করিয়েছেন সাথী আক্তার নামে আরেকজন রূপান্তরকামী। তিনি সময়ের আলোকে জানান, দেশের বাইরে সার্জারির ক্ষেত্রে দেড় থেকে তিন লাখ টাকা লাগে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে আরও বেশি লাগে। দেশে সার্জারির আইনগত বৈধতা ও চিকিৎসার সুযোগ থাকলে এ খরচ অর্ধেক বা তারও কম হতো। আইনগত বাধার কারণেই মূলত চিকিৎসকরা এমন সার্জারি করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন না। আর সে কারণে দেশের ভেতরে বিভিন্ন সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। বিষয়টিকে বৈধতা দেওয়া হলে চিকিৎসা জ্ঞান বা প্রশিক্ষণ ছাড়া কেউ কাজ করার সাহস পাবেন না।

রূপান্তরকামী নিয়ে পরিসংখ্যান যা বলছে
রূপান্তরকামীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনের কর্মীরা নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, বিগত প্রায় ১০ বছর ধরে দেশের রূপান্তরকামীরা সার্জিক্যাল রূপান্তরিত হয়েছেন। কোনোটি দেশে আবার কেউ কেউ প্রতিবেশী দেশ ভারতে। তবে দেশে কি পরিমাণ ‘রূপান্তর সম্পন্ন’ হয়েছে তার সঠিক কোনো পরিসংখ্যান নেই। এ ক্ষেত্রে যারা করিয়েছেন তারা গোপন রাখার কারণে সঠিক সংখ্যাটি উঠে আসেনি। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন গ্রুপসহ মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে এ ধরনের রূপান্তরকামীরা নিজেদের মধ্যে আন্তঃযোগাযোগ ও সম্পর্ক রাখছেন।

সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর মতে, দেশে হিজড়া ও রূপান্তরিতদের সংখ্যা দুই লাখের মতো। এর মধ্যে ৫০ হাজারের মতো মানুষ ভারতে গিয়ে সার্জারির মাধ্যমে রূপান্তরিত হয়েছেন বলে তাদের ধারণা। রূপান্তরকামীদের মধ্যে বেশিরভাগই সে দেশে থেকে গেছেন। বাংলাদেশে রূপান্তরকামীদের ভালো চোখে না দেখার কারণে তারা দেশে ফিরছেন না। অন্যদিকে বয়সের হিসাবে ১৫-৩০ বছর বয়সিদের মধ্যে সার্জারির প্রবণতা বেশি। এর থেকে বেশি বয়সিদের মধ্যেও এ প্রবণতা কিছুটা আছে। মূলত সবার মধ্যে সার্জারির মাধ্যমে রূপান্তরের আগ্রহ থাকলেও আর্থিক সঙ্কটের কারণে হয়ে ওঠে না।

বাংলাদেশে কেন গোপনীয়ভাবে চলছে রূপান্তরের সার্জারি
রূপান্তরকামীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনের একাধিক কর্মী সময়ের আলোকে বলেছেন, শুরুতে অনেকে ভারতে গিয়ে যেমন সার্জারি করিয়েছেন, তেমনই অনেকে ভারত থেকে চিকিৎসক এনে দেশে সার্জারি করিয়েছেন। দেশের বাইরে চিকিৎসা ব্যয় বেশি হওয়ায় গত এক দশকের বেশি সময় ধরে দেশের ভেতরে গোপনে সার্জারির কাজ চলছে। শুরুর দিকে সীমান্তবর্তী খুলনা, যশোর ও রাজশাহীসহ বিভিন্ন অঞ্চলে খুব সীমিতভাবে কাজটি শুরু হয়। পরে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় মেডিকেল সেন্টারের আড়ালে গোপনে সার্জারির কাজ শুরু হয়। জানা যায়, ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া হাদিউজ্জামান প্রথমে খুলনাতে সার্জারির কাজ শুরু করেন। পরে ঢাকায় এসে গোপনে কাজ শুরু করেন। এ ক্ষেত্রে যারা কোনো ‘গুরুমায়ের’ সঙ্গে থাকছেন তাদের একটি বিশাল অংশ দেশে সার্জারি করিয়েছেন। এভাবে ধীরে ধীরে ভারতীয় চিকিৎসকদের সঙ্গে সহযোগী হিসেবে থাকতে থাকতে নিজেই একসময় সার্জারির কাজ শুরু করেন।

জোরপূর্বক রূপান্তরের বিষয় অস্বীকার গুরুদের
একাধিক ‘গুরু মা’ ও রূপান্তর হওয়া নারী-পুরুষ সামাজিক অবস্থানের কারণে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, জোরপূর্বক বলতে সাধারণ দৃষ্টিতে যেমনটা বোঝায় প্রকৃত অর্থ ঠিক তেমন না। এ ক্ষেত্রে একজন শিশু যখন বুঝতে পারে সে আকৃতিতে পুরুষ হিসেবে জন্ম নিলেও আদতে পুরুষ নয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যখন আচরণগত পরিবর্তন বাড়তে থাকে তখন সে পরিবার ও সমাজে একটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির শিকার হয়। কৈশোর ও তারুণের আচরণগত পরিবর্তন আরও ব্যাপকভাবে হতে থাকে। তখন পরিবার ও সমাজের নানা অবহেলার কারণে মূলস্রোত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এমন বিচ্ছিন্ন ব্যক্তিরা সমাজে একাকী চলতে চাইলেও সম্ভব হয় না। এজন্য তারা কোনো ‘গুরুমায়ের’ সঙ্গে থাকতে শুরু করেন। পরে এসব গুরু মা-ই দেশে গোপনীয়ভাবে গড়ে ওঠা গোষ্ঠীর কাছে সার্জারির মাধ্যমে রূপান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। তবে কোনো কোনো গুরু মা সুযোগটিকে নেতিবাচকভাবে কাজে লাগান। কারও কারও ভাবনাটা এমন- শিষ্যদের সংখ্যা যত বাড়বে আয়ও ততই বাড়বে। এ কারণে স্বাস্থ্যগত বিষয়ে তাদের গুরুত্ব কম থাকে।

ভারত, পাকিস্তান ও দেশীয় আইন কী বলছে
রূপান্তরকামীদের আইনগত অধিকার নিয়ে কাজ করা জোবদাতুল জাবেদ সময়ের আলোকে বলেন, ট্রান্সজেন্ডারদের অধিকার নিশ্চিতে ২০১৮ সালে পাকিস্তানে ‘ট্রান্সজেন্ডার পারসন্স (প্রটেকশন অব রাইটস) অ্যাক্ট’ হয়েছে। ২০১৯ সালে ভারতে ‘ট্রান্সজেন্ডার পারসন্স (প্রটেকশন অব রাইটস) অ্যাক্ট’ হয়েছে।

তিনি বলেন, ভারত ও পাকিস্তানে একজন ট্রান্সজেন্ডার পুরুষ বা নারীর যেকোনো একটি পরিচয় বহন করবেন। সেই পরিচয়ের ভিত্তিতে তার সামাজিক অবস্থান নিশ্চিত হবে। উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রেও একটি পরিচয় ধরা হবে। কখনও পুরুষ, কখনও নারী সুবিধামতো পরিচয় গ্রহণের সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে এ সংক্রান্ত কোনো আইন নেই। তবে বাংলাদেশে হিজড়াদের একটি লিঙ্গ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি আলাদা উত্তরাধিকার আইন করতে বলেছেন।

রূপান্তরকামীদের বিষয়ে পুলিশ যা বলছে
সম্প্রতি রূপান্তর সার্জারিতে জড়িত ভুয়া চিকিৎসক গ্রুপের চার সদস্যকে গ্রেফতার করা ডিএমপির ডিবি রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মিশু বিশ্বাস সময়ের আলোকে বলেন, এ ভুয়া চিকিৎসক চক্রের কারও মধ্যেই রূপান্তর সংক্রান্ত কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই। যেহেতু চক্রটির সদস্যরা চিকিৎসক নন, তাই তারা এ স্পর্শকাতর কাজটি কোনোভাবেই করতে পারেন না। এ চক্রের কাছ থেকে বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। সেগুলো নিয়ে কাজ চলছে।     


পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status