|
দেশ পালানো প্রেসিডেন্ট যারা
টিকতে না পেরে দেশ পালানো প্রেসিডেন্ট গোটাবায়া রাজপাকসে একাই নন; সম্প্রতি আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আশরাফ গানিকেও পালাতে হয়েছিল তালেবানের ভয়ে। দেশ পালানো রাষ্ট্রপ্রধানের এই মিছিলে ইউক্রেইনের এক প্রেসিডেন্টও রয়েছেন। গোটাবায়ার মতোই জনবিক্ষোভে তাকে পালাতে হয়েছিল। তাদের মতোই পালাতে হয়েছিল উগান্ডার স্বৈরশাসক ইদি আমিনকেও।
নতুন সময় ডেস্ক
|
|
দেশ পালানো প্রেসিডেন্ট যারা গোটাবায়া রাজপাকসে প্রথমে বড় ভাই মাহিন্দা রাজাপাকসে প্রধানমন্ত্রীর পদ এবং ছোট ভাই বাসিল রাজাপাকসে মন্ত্রীর পদ ছাড়লেও ক্ষমতা আঁকড়ে ছিলেন গোটাবায়া । কিন্তু তারও শেষ রক্ষা হয়নি। বিক্ষুব্ধ জনতা প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ দখল করলে পদত্যাগের ঘোষণা দেন গোটাবায়া। চলে যান একটি সামরিক ঘাঁটিতে। বুধবার তিনি দেশ ছেড়ে আশ্রয় নেন মালদ্বীপে। সামরিক বাহিনীর একটি বিমানে চড়ে আপাতত মালদ্বীপে পৌঁছলেও তিনি যেতে চাইছেন সিঙ্গাপুর কিংবা দুবাইয়ে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে তামিল টাইগারদের দমন করে বীর হিসেবে পূজিত হওয়া গোটাবায়াকে এমন লজ্জাজনকভাবে বিদায় নিতে হল। তার এই বিদায়ের ক্ষণে আরও কয়েকজন রাষ্ট্রপ্রধানের বিদায় দৃশ্য মনে করিয়ে দিয়েছে ভারতের সংবাদপত্র দ্য প্রিন্ট। আশরাফ গনি এক বছর আগেই কাবুল ছেড়ে পালাতে হয়েছিল আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনিকে। তালেবান যখন রাজধানী শহর ঘিরে ফেলেছিল, তখন গত বছরের ১৫ অগাস্ট কাবুল থেকে পালিয়ে উজবেকিস্তানে ওঠেন গনি, সপরিবারে। তিনি এখন আমিরাতে রয়েছেন। গানি তখন বলেছিলেন, রক্তপাত এড়াতেই দেশ ছেড়েছিলেন তিনি। তবে এমন সমালোচনা রয়েছে যে, গানির সেই পালানো তালেবানের ক্ষমতা দখল ত্বরান্বিত করেছিল। গানি পরে বিবিসিকে বলেছিলেন, সেদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে তার মনেই হয়নি যে এটা তার কাবুলে শেষ দিন। যখন হেলিকপ্টার কাবুল ছাড়ল, তখনই তিনি বুঝতে পারেন যে তিনি পালাচ্ছেন। সমালোচকরা বলছেন, গানি তখন কাপুরুষের মতো না পালালে তালেবানের আফগানিস্তানের ক্ষমতায় ফেরা এতটা সহজ হত না। হেলিকপ্টারে করে পালানোর সময় গানি বহু অর্থকড়ি নিয়েছিলেন বলে খবর রটেছিল। তবে পরে তার সত্যতা পাওয়া যায়নি। ভিক্টর ইয়ানুকোভিচ যুদ্ধের কারণে এখন সংবাদের শিরোনামে থাকা ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় ২০১৪ সালে বিক্ষোভের মুথে পালাতে হয়েছিল ভিক্টর ইয়ানুকোভিচকে। ইউক্রেইনের এই প্রেসিডেন্ট ছিলেন রাশিয়া ঘেঁষা, আর তার বিরুদ্ধে সেই বিক্ষোভে পশ্চিমাদের মদদ ছিল বলে মনে করা হয়। তখন বিক্ষোভকারীদের দাবি ছিল, প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইয়ানুকোভিচ যেন ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দেওয়ার পদক্ষেপ নেন। ইদি আমিন |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
