চলতি মাসের শুরুতে সুইডেনের আকাশপথ লঙ্ঘন করা রাশিয়ার দুটি বিমান পরমাণু অস্ত্রে সজ্জিত ছিল। সুইডেনকে ভয় দেখাতেই গেল ২ মার্চ গটল্যান্ড দ্বীপের কাছ থেকে পরমাণু বিমানের উড়াল দেওয়ার এই ঘটনা ঘটেছে।
সুইডিশ নিউজ চ্যানেল টিভি৪ নিহিটারনার বরাতে মেইল অনলাইন এমন খবর দিয়েছে। রাশিয়ার কালিনিনগার্ড বিমান ঘাঁটি থেকে মোট চারটি বিমান উড়াল দিয়েছিল।
এর মধ্যে দুটো অ্যাটাক হেলিকপ্টার পরমাণু অস্ত্রে সজ্জিত ছিল। মিনিটখানেক তারা সুইডিশ আকাশে ছিল। অনুপ্রবেশকারী বিমান দুটোর ছবি তুলেছে সুইডেনের বিমান বাহিনীর মোতায়েন করা দুটো যুদ্ধবিমান জেএএস ৩৯ গ্রিপেন।
সামরিক কৌশল বিশেষজ্ঞ স্টেফ্যান রিং বলেন, আকাশপথ লঙ্ঘনের মাধ্যমে সুইডেনকে বার্তা দেওয়া হয়েছে, তাদের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র আছে, ইচ্ছা করলেই তা তারা ব্যবহার করতে পারেন।
রুশ বিমান দুটি পরমাণু ওয়ারহেডে সজ্জিত ছিল বলে নিশ্চিত করেছে সুইডেনের বিমান বাহিনী। স্টেফ্যান রিং বলেন, আমার ধারণা, রাশিয়া সচেতনভাবেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে ভুলভাবে অন্যদেশের আকাশপথে ঢুকে পড়ার শঙ্কাও উড়িয়ে দিতে পারি না। কিন্তু সব কিছু বিবেচনায় নিলে বলা যাচ্ছে, রাশিয়া উদ্দেশ্যমূলকভাবেই এটি করেছে।
এর আগে ন্যাটোতে যোগ দিলে সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ঘটনার সময় দুইদেশের সামরিক মহড়া চলছিল।
সুইডেনের বিমান বাহিনীর প্রধান কার্ল-জোহান এডস্টোর্ম বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিলে এ ঘটনায় আমরা খুবই উদ্বিগ্ন। রাশিয়ার পক্ষ থেকে যা দায়িত্বজ্ঞানহীন অপেশাদার পদক্ষেপ।