মানুষের কিছু নেক কাজের ইঙ্গিত বহন করে ‘স্বপ্ন’। মানুষের জন্য ইঙ্গিত বহন করা এমন স্বপ্ন দেখার রয়েছে কিছু সময় ও অবস্থা। কোনো ব্যক্তি যদি ওজুর সঙ্গে ঘুমানোর পর শেষ রাতে ডান কাতে কোনো স্বপ্ন দেখে, তবে তাতে মানুষের জন্য থাকে বিশেষ কোনো বার্তা। যা পরবর্তীতে প্রতিফলিত হয়।
আল্লাহভিরু ও জ্ঞানী ব্যক্তিরা স্বপ্নের ব্যাখ্যা করতে পারে। যদি কেউ পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করা বা শোনা সম্পর্কিত কোনো স্বপ্ন দেখেন তবে এর মর্মার্থ কী দাঁড়ায়? এর ব্যাখ্যা বা তাবিরই বা কী?
এ সম্পর্কে জ্ঞানীদের পক্ষ থেকে কিছু ব্যাখ্যা এসেছে। আর তাহলো-
১ যদি কোনো ব্যক্তি স্বপ্নে দেখেন যে, তিনি দেখে দেখে কুরআন তেলাওয়াত করছেন, তবে তার ব্যাখ্যা হলো- ওই ব্যক্তির মর্যাদা বেড়ে যাবে এবং জীবনে খুশি নেমে আসবে।
২ কোনো ব্যক্তি যদি স্বপ্নে দেখেন যে, তিনি মুখস্ত কুরআন তেলাওয়াত করছেন, তবে তার ব্যাখ্যা হলো- ওই ব্যক্তি কোনো বিচার ফয়সালার মুখোমুখি হবেন। সেই বিচারে তার দাবি সঠিক হবে, সে সত্যবাদি পরিচিতি পাবেন। তিনি নরম হৃদয়ের অধিকারী হবেন। সৎ কাজের আদেশ দেবেন এবং অসৎ কাজে বাধা দেবেন।
৩ কোনো ব্যক্তি যদি স্বপ্নে কুরআন খতম করতে দেখেন তবে তার ব্যাখ্যা হলো- ওই ব্যক্তির বড় কোনো সফলতা আসবে। আল্লাহ তাকে অনেক সাওয়াব দান করবেন।
৪ কোনো ব্যক্তি যদি স্বপ্নে দেখেন যে তিনি কুরআন মুখস্ত করেছেন। তার ব্যাখ্যা হলো- ওই ব্যক্তি পরিস্থিতি অনুযায়ী শক্তি বা মর্যাদার অধিকারী হবেন।
৫ কুরআন পড়তে দেখেছেন কিন্তু কোন অংশ পড়ছেন তা মনে নেই। কোনো ব্যক্তি যদি এমন স্বপ্ন দেখেন তাহলে এর ব্যাখ্যা হলো- ওই ব্যক্তি যদি অসুস্থ থাকে, তবে তিনি সুস্থ হয়ে যাবেন। আর যদি সে ব্যবসায়ী হয় তাহলে তার বড় মুনাফা হবে।
৬ কোনো ব্যক্তি যদি স্বপ্নে দেখেন যে তিনি কুরআন তেলাওয়াত শুনছেন, তবে তার ব্যাখ্যা হলো- তার শক্তি বৃদ্ধি পাবে এবং তার সব কাজের ফলাফলও সুন্দর হবে এবং ষড়যন্ত্রকারীর ষড়যন্ত্র থেকে মুক্তি পাবেন।
৭ কোনো ব্যক্তি যদি স্বপ্নে দেখেন যে, তার কুরআন তেলাওয়াত অন্য ব্যক্তিরা শুনছেন তবে এর ব্যাখ্যা হলো- লোক সমাজে তার কথা মান্য হবে।
৮ কোনো ব্যক্তি যদি স্বপ্নে দেখে যে কুরআন বিকৃত করে পড়ছে কিংবা কুরআন নিয়ে বিতর্ক করছে, তবে তার ব্যাখ্যা হলো- ওই ব্যক্তির জন্য এ স্বপ্ন দুর্দশা লক্ষণ হবে। তার জন্য কোনো দুর্দশা বা ক্ষতি অপেক্ষা করছে।