ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বুধবার ১৩ মে ২০২৬ ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩
ইব্রার বেতন থেকে জুসের টাকা কেটেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Monday, 6 December, 2021, 10:33 AM

ইব্রার বেতন থেকে জুসের টাকা কেটেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড

ইব্রার বেতন থেকে জুসের টাকা কেটেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড

২২ বছর ধরে পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ার ইব্রাহিমোভিচের। ৪০ বছর বয়সেও সিরি ‘আ’ মাতাচ্ছেন। এসি মিলানের তরুণ দলকে নিজ অভিজ্ঞতা দিয়ে সাহায্য করছেন। ক্যারিয়ারের তৃতীয় দশকে এসে নিজের দ্বিতীয় আত্মজীবনী বের করছেন ইব্রা। সুইডিশ স্ট্রাইকারের নতুন বইয়ের নাম অ্যাড্রেনিল।

ইউরোপের বড় বড় সব ক্লাবে খেলার অভিজ্ঞতা আছে ইব্রার। এসি মিলান ছাড়াও ইন্টার মিলানে খেলেছেন। খেলেছেন বার্সেলোনায়। আয়াক্সে খেলে প্রথম সাড়া ফেলেন। পিএসজিকে পরাশক্তি বানানোর ভিত্তি গড়ে দিয়েছেন। আর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে সর্বশেষ শিরোপার স্বাদ এনে দিয়েছেন। আর নিজ অভিজ্ঞতা থেকেই বলছেন ইউনাইটেড একটা ‘ছোট মানসিকতা’র দল। কারণ, একবার জুস খাওয়ার টাকা কেটে রেখেছিল ইউনাইটেড।

২০১৬ সালে পিএসজি ছেড়ে ইউনাইটেডে গিয়েছিলেন ইব্রাহিমোভিচ। জোসে মরিনিও ও ইব্রাহিমোভিচের জুটি প্রথম মৌসুমেই তিনটি ট্রফি জিতেছিল। ইউনাইটেড অধ্যায় শেষে কিছুদিন যুক্তরাষ্ট্রেও নিজের দক্ষতা দেখিয়ে এসেছিলেন সুইডিশ স্ট্রাইকার। ২০২০ সালে সবাইকে চমকে দিয়ে আবার মিলানে ফিরেছেন।

ইব্রার বেতন থেকে জুসের টাকা কেটেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড

ইব্রার বেতন থেকে জুসের টাকা কেটেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড

চল্লিশে পা রেখেও দুর্দান্ত দাপট দেখাচ্ছেন মাঠে। মাঠের বাইরেও তাঁর দাপট কমেনি। এই তো নতুন বইয়েই যেমন ইউনাইটেডকে ‘ছোট ক্লাব’ বলেছেন ইঙ্গিতে। তাঁর বইয়ে ইউনাইটেড প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘সবার ধারণা ইউনাইটেড প্রথম শ্রেণির ক্লাব। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ও ধনী ক্লাব তারা। বাইরে থেকে আমারও এমন মনে হয়েছিল।’

ইব্রাহিমোভিচ বলছেন, বাস্তবতা নাকি ভিন্ন, ‘একবার আমি যোগ দিতেই দেখলাম তারা আসলে ছোট মানসিকতার। একদিন আমি দলের সঙ্গে এক ম্যাচের আগে হোটেলে ছিলাম। আমার তৃষ্ণা পেয়েছিল, তাই মিনিবার খুলে একটা ফলের জুস খেলাম। ম্যাচ খেললাম এবং বাড়ি চলে গেলাম। ব্যাপারটা হতে একটু সময় লেগেছিল। আমার বেতন এল। সাধারণত আমি সেদিকে নজর দিই না। বছরের শেষে একবার দেখি—কত এল আর কত গেল। কিন্তু এবার কেন জানি না, আমার কৌতূহল হলো এবং খেয়াল করি আমার মাসিক বেতন থেকে এক পাউন্ড কেটে নেওয়া হয়েছে।’

অন্য কেউ হলে এ ক্ষেত্রে কী করতেন, সেটা বলা যাচ্ছে না। তবে ইব্রাহিমোভিচ তো আর শুধু শুধু ইব্রাহিমোভিচ হননি। তিনি ব্যাপারটা খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেন, ‘আমি দলের ম্যানেজারকে ফোন করে বললাম, “আমার বেতন থেকে এক পাউন্ড কেটেছ কেন?” ম্যানেজার একবার সব দেখল আর বলল, “মিনিবার থেকে যে জুস খেয়েছেন, সেটার খরচ।”’

ইব্রার বেতন থেকে জুসের টাকা কেটেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড

ইব্রার বেতন থেকে জুসের টাকা কেটেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড

ইব্রাহিমোভিচের বিস্ময় কাটছিল না, ‘“আমার সঙ্গে মজা করছ?” “না, আমি মজা করছি না, দেখুন, এখানে আপনি কিছু চাইলে তার জন্য টাকা দিতে হবে।” “ঠিক আছে, কিন্তু ওই হোটেলে তো আমি নিজ ইচ্ছায় যাইনি। আমি ছুটি কাটাতে যাইনি। আমি কাজ করতে গিয়েছি। আমি সেখানে ম্যানচেস্টারের জন্য ছিলাম। আমাকে যদি খেলতে হয় এবং আমার তৃষ্ণা পেলে, আমাকে পান করতে হবে। আমি তো তৃষ্ণা নিয়ে যেতে পারি না।” বিশ্বাস হয়? এক পাউন্ড? ইতালিতে এমন কিছু হওয়া কখনো সম্ভব না। এই ছোটখাটো ব্যাপারগুলোই পার্থক্য গড়ে দেয় এবং খেলোয়াড়ের সম্মান অর্জন করে।’

ইউনাইটেডের প্রতি ইব্রার ক্ষোভ এখানই শেষ হয়নি। ক্লাবের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েও বিরক্ত ছিলেন এই স্ট্রাইকার, ‘প্রতিদিন অনুশীলন মাঠে ঢোকার আগে আমার কাগজপত্র দেখতে চাইত। আমি জানালা নামিয়ে গেটে থাকা লোকটাকে বলতাম, “দেখো, এখানে গত এক মাস ধরে প্রতিদিন আসি। আমি বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়। এখনো যদি তুমি আমাকে না চেনো, তুমি ভুল চাকরি করছ।”

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status