|
ফ্লাইওভারে ঝুলন্ত মরদেহ, নেপথ্যে কি ?
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() ফ্লাইওভারে ঝুলন্ত মরদেহ, নেপথ্যে কি ? পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ দাবি করেছে, কাউসার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নয়। তার শরীরে আঘাতেরও কোনো চিহ্ন নেই। তবে মাদকাসক্ত ছিলেন। ওই এলাকার বিএসআরএম কারখানায় পাহারাদার হিসেবে কাজ করতেন কাউসার। চাকরি ও পরিবার নিয়ে তার মধ্যে হতাশা ছিল। তবে এ নিয়ে মুখ খুলছেন না তার পরিবার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, লাশ হওয়া যুবক আকবর শাহ থানা ছাত্রলীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক। তার নাম কাউসার আহমেদ। হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে ফ্লাইওভারে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের চট্টগ্রাম মহানগরের বর্তমান ও সাবেক কয়েকজন নেতা মঙ্গলবার ১২ মে, রাতে ফেসবুকে এমন দাবি করেছেন। পাহাড়তলী থানার ওসি নুরুল আবছার বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ২৭ বছর বয়সী আবু কাউসারের লাশ মঙ্গলবার মধ্যরাতে উদ্ধার করেছি। তিনি ওই এলাকার বিএসআরএম কারখানায় পাহারাদার হিসেবে কাজ করতেন। দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। তার মানসিক সমস্যাও ছিল বলে আমাদের জানিয়েছে পরিবারের সদস্যরা। হত্যার অভিযোগ সঠিক নয় দাবি করে তিনি বলেন, কাউসারের শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। আমাদের ধারণা, ফ্লাইওভার থেকে ঝুলে ওই যুবক আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে এটা নিশ্চিত হওয়া যাবে। ময়নাতদন্তের পর মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে । এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে বলে জানান তিনি। এদিকে আকবর শাহ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল সিদ্দিকী দাবি করেছেন, তিনি ছাত্রলীগের ওই থানার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক কাউসার আহমেদ। সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক শোকবার্তায় তার রহস্যজনক মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়েছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
