|
ডাক্তার নার্সসহ করোনায় আক্রান্ত ৩০
কিশোরগঞ্জে স্বাভাবিক চিকিৎসা সেবায় বিপর্যয়
আশরাফুল ইসলাম তুষার, কিশোরগঞ্জ
|
![]() কিশোরগঞ্জে স্বাভাবিক চিকিৎসা সেবায় বিপর্যয় অনেক আউটসোর্সিং স্টাফ আক্রান্ত হয়ে পড়েছেন।এতে চিকিৎসা সেবা হুমকির মুখে পড়েছে।’হাসপাতালে ১০টি আইসিইউ শয্যার মধ্যে একটিও খালি নেই। করোনা ইউনিটের দেড় শ আসনের মধ্যে রোগী ভর্তি আছেন ১২৫ জন। এছাড়া জেলায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। গত এক সপ্তাহে জেলায় করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৬৬৯ জন। এর মধ্যে সদরে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৬৫ জন। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৩০২ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছেন ১০৭ জন। এ পর্যন্ত জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৩৬৮ জন। মোট মারা গেছেন ৯১ জন। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলাতেই মৃত্যু হয়েছে ৩৩ জনের। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ২১৩ জন। বর্তমানে জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৪ জন। এদের মধ্যে ৭৫ জন হাসপাতালে ও ৯৪৯ জন হোম আইসোলেশনে আছেন। একমাত্র অষ্টগ্রাম উপজেলায় বর্তমানে করোনা আক্রান্ত কোনো রোগী নেই। বর্তমানে করোনা আক্রান্ত মোট ১ হাজার ২৪ জন রোগীর মধ্যে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় ৭১২ জন, হোসেনপুর উপজেলায় ১৩ জন, করিমগঞ্জ উপজেলায় ৩৫ জন, তাড়াইল উপজেলায় ২৩ জন, পাকুন্দিয়া উপজেলায় ৩১ জন, কটিয়াদী উপজেলায় ৬০ জন, কুলিয়ারচর উপজেলায় ২৯ জন, ভৈরব উপজেলায় ৮৫ জন, নিকলী উপজেলায় ৫ জন, বাজিতপুর উপজেলায় ২০ জন, ইটনা উপজেলায় ৯ জন এবং মিঠামইন উপজেলায় ২ জন রয়েছেন।
এদিকে গত ৭ ফেব্রুয়ারি টিকা কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর গত ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৭৬ হাজার ৬৬৫ জন প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন। এরপর গত ১৯ জুন থেকে সিনোফার্ম টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত ১ হাজার ২৪০ জন সিনোফার্ম টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন। জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
