পল্লবী থানায় বোমা বিস্ফোরণ: তদন্ত প্রতিবেদন ২৩ মার্চ
নতুুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Wednesday, 17 February, 2021, 3:11 PM
পল্লবী থানায় বোমা বিস্ফোরণ: তদন্ত প্রতিবেদন ২৩ মার্চ
রাজধানীর পল্লবী থানায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় করা মামলার প্রতিবেদন দাখিলের দিন পিছিয়ে আগামী ২৩ মার্চ ধার্য করেছেন আদালত।
আজ ঢাকা মহানগর হাকিম ধীমান চন্দ্র মন্ডলের আদালত নতুন এ দিন ধার্য করেন।
এদিন মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এজন্য আদালত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২৩ মার্চ দিন ধার্য করেন।
আসামিদের মধ্যে পাঁচজন আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। তারা হলেন- আকরাম হোসেন, ইমামুন হোসেন এনামুন হিরোন উসমান, মো. ইয়াছিন খান, মো. জনি।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ২৮ জুলাই গভীর রাতে পল্লবী থানার পুলিশ কালশী কবরস্থানে অভিযান চালিয়ে আসামি রফিকুল ইসলাম, সহিদুল ইসলাম ও মোশাররফ হোসেনকে গ্রেফতার করে। ওই সময় তাদের কাছ থেকে দুটি পিস্তল, চারটি গুলি ও ওজন মাপার একটি যন্ত্র পাওয়া যায়। পরে তাদের থানায় আনা হয়। তাদের কাছে ওজন মাপার যন্ত্র থাকা নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় পুলিশের বোমা উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটকে খবর দেয়া হয়। কিছুক্ষণের মধ্যে ইউনিটের সদস্যরা থানার পরিদর্শক ইমরানুলের কক্ষে গিয়ে সেটি পরীক্ষা করেন। কিন্তু কিছু বুঝতে পারছিলেন না। আরো পরীক্ষার জন্য কিছু যন্ত্রপাতির দরকার ছিল। সেজন্য পরদিন ইউনিটের অন্য সদস্যদের খবর দেয়া হয়।
তারা পৌঁছার আগেই থানার ভেতরে যন্ত্রটি বিস্ফোরিত হয়। এতে পল্লবী থানার ইন্সপেক্টর (অভিযান) ইমরানুল ইসলাম, এসআই সজীব খান, শিক্ষানবিশ এসআই রুমি তাব্রেজ হায়দায় ও অঙ্কুশ কুমার দাস এবং বেসামরিক ব্যক্তি রিয়াজুল ইসলাম আহত হন। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় গ্রেফতার আসামিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় দুটি মামলা করা হয়।
পরে ৩০ জুলাই তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম-কমিশনার (অপারেশন) মো মনির হোসেনকে প্রধান এবং ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (দারুস সালাম জোন), মিরপুর বিভাগ ও ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপ) মো. রহমত উল্লাহ চৌধুরীকে সদস্য করা হয়। পরে ১০ আগস্ট তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা দেন। এতে তদন্ত কমিটি পল্লবী থানার ভেতরে বোমা বিস্ফোরণের কারণ হিসেবে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের অপেশাদারিত্বকে দায়ী করেছে। ভবিষ্যতে থানাগুলোতে এ ধরনের বিস্ফোরক বা বোমা জাতীয় বস্তু কীভাবে ‘হ্যান্ডল’ করবে- তা নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয়।