সুশান্ত সিংহ রাজপুতের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে মাদকের যোগ নিয়ে তদন্ত করছে নারকোটিক্স কন্ট্রোল বুরো (এনসিবি)। তবে এনসিবির যে দলটি ছিল, তার মধ্যে একজনের কোভিড সংক্রমণ ধরা পড়েছে। ফলে প্রয়াত অভিনেতার প্রাক্তন ম্যানেজার শ্রুতি মোদীকে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ডেকে পাঠিয়েও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারল না এনসিবি।
সকাল ১০টার সময়ে দক্ষিণ মুম্বাইয়ে এনসিবির দফতরে পৌঁছেছিলেন শ্রুতি। কিন্তু তার বয়ান রেকর্ড শুরু করার আগেই এনসিবির হাতে তাদের এক তদন্তকারীর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট আসে। জানা যায়, তিনি পজিটিভ। তখনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, আপাতত জিজ্ঞাসাবাদ বন্ধ থাকুক। স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেশন টিম (সিট)র অন্যদেরও এবার করোনা পরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছে এনসিবি।
আজ ডেকে পাঠানো হয়েছিল সুশান্তের ট্যালেন্ট ম্যানেজার জয়া সাহাকেও। ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয় তাকেও। এই জয়ার সঙ্গে রিয়ার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটেও মাদকের প্রসঙ্গ পেয়েছিলেন আর এক তদন্তকারী সংস্থা, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের গোয়েন্দারা। জয়া ও শ্রুতিকে এর আগে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই।
সুশান্তের দেহের ময়নাতদন্ত হয়েছিল যে কুপার হাসপাতালে, সেখানে অভিনেতার বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তীর উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল সুশান্তের পরিবার।
তাদের অভিযোগ পেয়ে মহারাষ্ট্রের রাজ্য মানবাধিকার কমিশন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, বৃহন্মুম্বই পুরসভা ও মুম্বাই পুলিশের কাছে রিপোর্ট তলব করেছিল। কমিশন জানিয়েছে, রিপোর্ট খতিয়ে দেখে এর মধ্যে কোনও বেআইনি কার্যকলাপের চিহ্ন পায়নি তারা।
রিয়া কুপার হাসপাতালে সে দিন মিনিট ৪৫ ছিলেন। সূত্রের খবর, জামিনের আবেদন করে দু’-এক দিনের মধ্যেই হাইকোর্টে যেতে পারেন রিয়া ও তার ভাই শৌভিক চক্রবর্তী।
আজই সুশান্তের লোনাভালার ফার্মহাউসের ম্যানেজার রইস একটি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন, শৌভিক ও সুশান্তের বন্ধু স্যামুয়েল হাওকিপকে মাদক সেবন করতে দেখেছিলেন তিনি।