ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ৪ মে ২০২৬ ২০ বৈশাখ ১৪৩৩
বদলে যাওয়া কোহলির পেছনে বড় ভূমিকা যে কোচের
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Tuesday, 14 July, 2020, 1:57 PM
সর্বশেষ আপডেট: Tuesday, 14 July, 2020, 1:59 PM

বদলে যাওয়া কোহলির পেছনে বড় ভূমিকা যে কোচের

বদলে যাওয়া কোহলির পেছনে বড় ভূমিকা যে কোচের

২০০৮ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বিরাট কোহলির নেতৃত্বে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। সেই সাফল্যের পর জাতীয় দলে ঢুকতে খুব বেশি সময় লাগেনি তরুণ প্রতিভা কোহলির। বয়স তখনও বিশের কম হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই উত্তেজনা ও মেরে খেলার প্রবণতা একটু বেশিই ছিল ভারতের বর্তমান অধিনায়কের।

তবে নিজের মনমতো ব্যাটিং ছেড়ে দলের দায়িত্ব নিয়ে খেলা আয়ত্ব করতে খুব একটা সময় নেননি কোহলি। অল্প সময়ের মধ্যেই পরিণত হন ভারতের অন্যতম ব্যাটিং স্তম্ভে। তার পরিবর্তনের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল ভারতের বিশ্বকাপজয়ী কোচ গ্যারি কারস্টেনের। এ দক্ষিণ আফ্রিকানের পরামর্শেই মূলত নিজের ব্যাটিংয়ে পরিবর্তন আনেন কোহলি।

২০০৮ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অভিষেক হয় কোহলির, তখন ভারতের কোচ ছিলেন কারস্টেনই। ফলে টগবগে তরুণ কোহলির শুরু থেকেই দেখতে পেয়েছেন কারস্টেন। তাই নিজের মতো করে দিয়েছিলেন কার্যকর পরামর্শ। যা যথাযথ অনুসরণ করেছিলেন কোহলি এবং পেয়েছিলেন সাফল্য।

ইউটিউবে এক লাইভ শো’তে কারস্টেন বলেছেন, ‘কোহলির সঙ্গে আমার সম্পর্কের শুরুটা হয়েছিল এমন যে, একজন তরুণ খেলোয়াড় এলো দলে এবং আমি তাকে বোঝাতে চেষ্টা করছিলাম যে তোমাকে অনেক দূর যেতে হবে এবং নিজের খেলার মধ্যে ধারাবাহিকতা আনতে হবে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘যেদিন কোহলিকে প্রথম দেখি, তার আগে থেকে ওর সামর্থ্য এবং প্রতিভা সম্পর্কে অবগত ছিলাম। ওর বয়সও তখন তরুণ। তবে আমার মনে হচ্ছিল যে, নিজের ব্যাটিংয়ের সেরা রুপটা সে আসলে বের করতে পারছে না। তাই আমরা দুজন মিলে বেশ কয়েকবার আলোচনা করি।’

কারস্টেনের সঙ্গে কোহলির আলোচনার ফলও আসে ইতিবাচক। পরের বছর অর্থাৎ ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঘরের মাঠে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি হাঁকান কোহলি। তার আগের ম্যাচে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে আউট হন ৫৪ রান করে। তখন কারস্টেন তাকে দিয়েছিলেন মাটিতে খেলার পরামর্শ। যা কাজে লাগিয়ে পরের ম্যাচে সেঞ্চুরি তুলে নেন কোহলি।

সেই ঘটনার স্মৃতিচারণ করে কারস্টেন বলেছেন, ‘একটা ঘটনা আমি কখনও ভুলব না। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে সে দারুণ ব্যাটিং করছিল। একপর্যায়ে ৩০ রানের আশপাশে (আসলে ৫৪) অপরাজিত থাকার সময় সে চেষ্টা করল বোলারকে মাথার ওপর দিয়ে উঠিয়ে মারবে। কিন্তু তা করতে গিয়ে লং অন ফিল্ডারের হাতে ধরা পড়ে যায়।’

‘আমি তখন তাকে বললাম যে, যদি নিজের খেলাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যেতে চাও, তাহলে এই বলটাকে মাটিতে খেলা প্রয়োজন। তুমি জানো যে, অনেক বলই হাওয়ায় ভাসিয়ে খেলতে পারবে। কিন্তু এতে অনেক ঝুঁকিও থাকে। আমার মনে হয়, সে কথাটিকে গুরুত্ব দিয়েছিল এবং ঠিক পরের ম্যাচেই সেঞ্চুরি করে ফেলে।’

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status