পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হারেছ উপজেলার বাঘবেড় ইউনিয়নের সন্যাসীভিটা গ্রামের বাসিন্দা। ওই কিশোরী হারেছ আলীর দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তানকে দেখাশোনা করত।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার সকালে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যে ওই কিশোরীকে মোবাইল ফোন করে পাশের বাঘবেড় ইউনিয়ন পরিষদের ভেতর ডেকে নিয়ে যায় হারেছ আলী। পরে তাকে পরিষদের পশু চিকিৎসকের কক্ষে টেনে নিয়ে ধর্ষণ করে হারেছ।
হুমকি ও চাপের মুখে ওই কিশোরী প্রথমে ঘটনাটি চেপে গেলেও পরে তার অসুস্থতার একপর্যায়ে মা ও দাদীকে ঘটনা খুলে বলে। পরে গতকাল সোমবার হারেছ আলীকে আসামি করে নালিতাবাড়ী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে ওই কিশোরীর বাবা। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে হারেছকে গ্রেপ্তার করে।
ওসি বছির আহমেদ বাদল বলেন, কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নিয়মিত মামলায় ধর্ষক হারেছকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষাসহ আদালতে জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে।