সিলেটের ওসমানীনগরে স্ত্রীর একাধিক যৌন সঙ্গীর খবর জানার পর এক স্বামী খুন হয়েছেন। ওই স্বামীকে খুন করেন স্ত্রীর যৌন সঙ্গীরাই।
মঙ্গলবার বিকেলে সিলেটের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এমন স্বীকারোক্তি দেন গ্রেফতার দুই আসামি। এর আগে ওসমানীনগর থানার মোবারকপুর গ্রামের গোপাল দাস ও একই থানার খাডুকোনা গ্রামের স্বপন দাসসহ নিহত সতীন্দ্রের স্ত্রী সন্ধ্যা রানী দাসকে গ্রেফতার করা হয়।
স্বীকারোক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওসমানীনগর থানার ওসি ওএসএম মইনউদ্দিন।
মামলার তদন্তকারী রতনলাল দেব জানান, গ্রেফতার দুইজনের সঙ্গে স্ত্রীর যৌন সম্পর্কের কথা জেনে যান স্বামী সতীন্দ্র। একদিন স্ত্রীসহ তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলেন। বিষয়টি ধামাচাপা দিতে স্বামীকে খুনের পরিকল্পনা করে স্ত্রীসহ যৌন সঙ্গীরা।
২ মার্চ শ্বশুর বাড়িতে ঘরজামাই থাকা সতীন্দ্র মাছ শিকারে বের হন। তখন তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। হত্যার সাতদিন পর গলা রশি দিয়ে পাথর বাঁধা সতীন্দ্রের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে সতীন্দ্রের ভাগিনা মামা নিখোঁজের ঘটনায় ওসমানীনগর থানায় জিডি করেন। এরপর হত্যার তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। তারপর তারা আদালতে নিজেদের কর্মকাণ্ডের কথা জবানবন্দি দিয়েছে। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নিহত সতিন্দ্র সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কুয়াজপুর ইউপির চকিয়া গ্রামের নরেন্দ্র দাসের ছেলে।