ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
রোববার ৭ জুন ২০২৬ ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
চীন থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় করোনার আতঙ্ক
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Monday, 2 March, 2020, 5:18 PM

চীন থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় করোনার আতঙ্ক

চীন থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় করোনার আতঙ্ক

চীনের সীমানা পেরিয়ে বিভিন্ন দেশে কার্যত দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। এ ভারইরাসে চীনের পর এখন দক্ষিণ কোরিয়ায় ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করছে। এ ভাইরাসে নতুন করে আরো  ৪৭৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন। ফলে এখন পর্যন্ত সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা মোট ৪ হাজার ২১২।

কোরিয়া সেন্টার ফর ডিজেজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনসন (কেসিডিসি) জানিয়েছে,  এখন পযর্ন্ত দেশটিতে অন্তত চার হাজার ২১২ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। মারা গেছে ২২ জন। যার ফলে দেশটিতে পরিস্থিতি অনেকটা গুরুতর পর্যায়ে মোড় নিয়েছে।

জানা গেছে, চীন যেমন উহান শহরকে করোনাভাইরাসের উৎপত্তিস্থল হিসেবে দেখা হচ্ছে, দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষেত্রেও তেমনি দক্ষিণাঞ্চলীয় পাশাপাশি দুই শহরকে এ ভাইরাস ছড়ানোর সূত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ দুই শহর হচ্ছে দেগু ও চোংডো। সন্দেহের তীর গিয়ে পড়েছে ওই অঞ্চলের শিনচিওঞ্জি নামে ক্ষুদ্র একটি খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের দিকে। আক্রান্তদের বেশিরভাগই এ সম্প্রদায়ের সদস্য।

ধারণা করা হচ্ছে, শিনচিওঞ্জিদের মাধ্যমেই দক্ষিণ কোরিয়ায় ব্যাপকভাবে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে। দেগু শহরে শিনচিওঞ্জি সম্প্রদায়ের গির্জা সংলগ্ন সড়ক জীবাণুমুক্ত করা হয়েছে। এমন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিনচিওঞ্জি সম্প্রদায়ের নয় হাজারেরও বেশি সদস্যকে পারবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ঘরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে সিউল। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বোঝার চেষ্টা করা হচ্ছে কীভাবে তাদের মধ্যে এতো মানুষ আক্রান্ত হলেন।

দেগু দক্ষিণ কোরিয়ার চতুর্থ বৃহত্তম শহর। ২৫ লাখ জনসংখ্যার এই শহরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রাস্তায় মানুষজন বলতে গেলে চোখেই পড়ছে না। লোকজনের ভয়, তাদের শহরের পরিণতি না যেন উহানের মতো হয়।

এদিকে চীনের বাইরে এ ভাইরাসে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ইরানে হলেও আক্রান্তের দিক থেকে এগিয়ে আগে দক্ষিন কোরিয়া।

কোরিয়া সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন জানিয়েছে, শিনচিওঞ্জি সম্প্রদায়ের গির্জার কিছু সদস্য গত জানুয়ারিতে এ ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল চীনের উহান শহরে গিয়েছিলেন। এটি প্রাদুর্ভাবের ক্ষেত্রে তাদের ওই সফরের কোনো ভূমিকা রয়েছে কিনা তা নির্ধারণে তদন্ত করছেন দক্ষিণ কোরীয় কর্মকর্তারা।

দেশটির উপস্বাস্থ্যমন্ত্রী কিম গ্যাং-লিপ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

উল্লেখ্য, গত ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশেই প্রথম করোনাভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। এরপর থেকেই চীনের বিশ্বের ৫০টিরও বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এ ভাইরাস। একের পর এক বিশ্বের অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ায় প্রতিনিয়ত ভারি হচ্ছে মৃত্যু মিছিল। এরমধ্যে এ ভাইরাসে শুধু চীনেই মারা গেছে ২ হাজার ৯১২ জন। ইতালিতে মারা গেছেন ৩৪ জন। ইরানে মারা গেছেন ৫০ জনের বেশি মানুষ। আর পুরো বিশ্বে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৫৭ জন।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status