|
পেঁয়াজের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রসুন-আদার দাম
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() পেঁয়াজের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রসুন-আদার দাম শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, হাতিরপুল, কাঁঠাল বাগান কাঁচা বাজার, মালিবাগ রেলগেট বাজার, শান্তিনগর ও সেগুন বাগিচা কাঁচা বাজার ঘুরে এ চিত্র জানা গেছে। বিক্রেতারা জানান, এক সপ্তাহে আগে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ১১০ থেকে ১১৫ টাকা , ভারতীয় পেঁয়াজ ৮০ থেকে ৮৫ টাকা, আর আমদানি করা মিশরের পেঁয়াজ ৯৫ থেকে ১০০ টাকা আর মিয়ানমার পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। এখন ভারতীয় পেঁয়াজ খুচরা বাজারে এখন বিক্রি হচ্ছে ১১৫ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। আর পাইকারি বাজারে বিক্রি প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০৮ থেকে ১১০ টাকা। একইভাবে পাইকারি বাজারে প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০৬ টাকা। এ সব বাজারে খুচরা দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হতে দেখা গেছে ১১৫ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। পেঁয়াজের পাশাপাশি বেড়েছে আদা ও রসুনের দাম। এ সব বাজারে খুচরা প্রতিকেজি দেশি আদা বিক্রি হতে দেখা গেছে (আকারভেদে) ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, কাঁচা আদা ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে। আর থাইল্যান্ডের আদা বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা, মিয়ানমারের আদা ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে (নাটোর) ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা, দেশি ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা, দেশি এক দানা রসুন ২০০ থেকে ২২০ টাকা, চায়না রসুন ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে। বরাবরের মতো দাম বৃদ্ধির জন্য পাইকারী বিক্রেতারা দোষারোপ করছেন খুচরা বিক্রেতাদের। এ নিয়ে ক্রেতা বিক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। বিক্রেতারা বলছেন বাজারে পেঁয়াজ সংকটের কারণে দাম বেড়েছে আর ক্রেতারা বলছেন বাজার মনিটরিং না করাই ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। এ বিষয়ে কারওয়ান বাজারের পাইকারি পেঁয়াজ বিক্রেতা অন্তর এই প্রতিবেদককে বলেন, পূজার পর থেকে এখন পর্যন্ত ভারতে পেঁয়াজ (মোটা পেঁয়াজ) বাজারে আসেনি। এ কারণে এ পেঁয়াজের সংকট রয়েছে, দামও বেড়েছে। তবে এ পেঁয়াজ বাজারে এলে দাম কমে যাবে। বাজার ঘুরে দেখা যায় ক্রেতাদের কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে সবজি। প্রকারভেদে ৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে সবজির। অপরিবর্তিত রয়েছে চাল, ডাল, ডিম, মাছ, গরু ও খাসির মাংসের বাজার। তবে কিছুটা বেড়েছে মুরগির দাম। বাজারে প্রতিকেজি টমেটো ৮০ থেকে ১০০ টাকা, সিম ৬০ থেকে ৭০ টাকা, গাজর ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পটল বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, উস্তা-ঝিঙা-ধুন্দুল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, করলা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কাকরোল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বেগুন ৩০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অপরিবর্তিত আছে কাঁচা মরিচের দাম। প্রতিকেজি কাঁচা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা দরে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
