|
মায়ের কোলে ফিরলেও আতঙ্কে সেই শিশু
নতুন সময় ডেস্ক
|
|
মায়ের কোলে ফিরলেও আতঙ্কে সেই শিশু ২০১৮ সালে রোমানিয়া থেকে মার্কিন সীমান্তে এসেছিল কনস্তানতিনের পরিবার। দীর্ঘদিনের দাসত্ব, হিংসা, অভাব, বৈষম্যের হাত থেকে মুক্তি পেতে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নেয়ার কথা ভাবে পরিবারটি। বাড়িঘর বিক্রি করে মেক্সিকোর উদ্দেশে পাড়ি দেন তারা। পাচারকারীরা তাদের মার্কিন সীমান্ত পার করে দেয়ার লোভ দেখায়। নতুন জীবন ও ভালো থাকার ইচ্ছা উপেক্ষা করতে না পেরে পাঁচ সন্তানের মধ্যে সবচেয়ে ছোট দুটিকে নিয়ে যাত্রা শুরু করেন ভাসিলে ও ফ্লোরেনটিনা। কোলে-পিঠে যাচ্ছিল কনস্তানতিনও। কিন্তু সীমান্তে যাওয়ার জন্য বাস ধরার পরেই আলাদা হয়ে যান ভাসিলে ও ফ্লোরেনটিনা। কনস্তানতিনকে নিয়ে সীমান্তে পৌঁছে যান ভাসিলে। সেখানে পৌঁছতেই শিশুটিকে কেড়ে নেন অভিবাসন কর্তৃপক্ষ। ভাসিলে বলেন, ওরা আমায় দু’মাস আটকে রেখেছিল। পুলিশ আমায় দিয়ে ঘর মোছাত। আমি কান্নাকাটি করতাম ছেলের জন্য। ওদের বলেছিলাম, আমি ইংরেজি বুঝতেও পারি না, বলতে পারি না। অপরদিকে সন্তানসহ ফ্লোরেনটিনাকে রোমানিয়ায় ফেরত পাঠানো হয় সীমান্ত থেকেই। ছেলেকে ফেরত পাওয়ার আশায় দিন গুণতে থাকেন ভাসিলে। তত দিনে মিশিগানে পালক পরিবারের কাছে পৌঁছে যায় শিশুটি। নিরিবিলি এক গ্রামে আদরযত্নেই বড় হতে থাকে সে। তার সেই বড় হয়ে ওঠার মুহূর্তগুলোর ভিডিও করতে থাকেন পালক মা। কনস্তানতিনের আট মাস বয়সে আদালত তাকে পরিবারের হাতে তুলে দেয়ার অনুমতি দেন। কিন্তু তত দিনে নিজের মাকে ভুলে যায় দুধের শিশুটি। মায়ের কোলে ফিরেও পালক মায়ের জন্য কান্না থামে না তার। আতঙ্কে ভুগতে থাকে শিশুটি। কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে সে। বর্তমানে দেড় বছরের বেশি বয়স হলেও এখনও বুলি ফোটেনি কনস্তানতিনের। একা হাঁটতেও শেখেনি সে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
আলফাডাঙ্গায় ২৮ জুন ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন: সফল করতে প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন
সেনাবাহিনীর উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
স্মার্টফোন বিস্ফোরণে আতঙ্ক, টঙ্গীতে ভিভো ফোনে অল্পের জন্য রক্ষা পেল পরিবার
সাতক্ষীরায় রাফাতের মৃত্যুর ঘটনার সঠিক তদন্ত পূর্বক দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে মানববন্ধন
