ই-পেপার সোমবার ● ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ● ৬ নভেম্বর ২০২৬ ● ২১ কার্তিক ১৪৩৩
‘মি টু’র পর এবার ‘কু টু’
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Wednesday, 12 June, 2019, 10:38 AM
সর্বশেষ আপডেট: Wednesday, 12 June, 2019, 3:34 PM

‘মি টু’র পর এবার ‘কু টু’

‘মি টু’র পর এবার ‘কু টু’

যৌন হেনস্থার প্রতিবাদে একজোট হয়ে ‘মি টু’ আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন বিশ্বের হাজার হাজার নারী। একের পর এক অভিযোগে রীতিমতো তোলপাড় হয় বিভিন্ন মহল। বিতর্কে নাম জড়ায় বহু বিশিষ্ট, বিখ্যাত ব্যক্তিত্বের। এবার ‘মি টু’র মতোই অন্য একটি আন্দোলনে সামিল হয়েছেন ২০ হাজারেরও বেশি নারী। এবার প্রতিবাদের নাম ‘কু টু’ (#KuToo)।




‘কু টু’ নামের এই প্রতিবাদ আসলে হাইহিল পরে অফিসে আসার অলিখিত ‘বাধ্যতামূলক’ নিয়মের বিরুদ্ধে। আর এই ‘কু টু’ আন্দোলনে সামিল হয়েছেন ২০ হাজারেরও বেশি জাপানী নারী। ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষ সমর্থন জানিয়েছেন এই প্রতিবাদকে।
কাজের জায়গায় পোষাকবিধিতে নারীদের হাইহিল পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, জাপানের বেশির ভাগ কর্পোরেট সংস্থায়। আর এই ‘ড্রেস কোড’র জেরে নিয়মিত হাই হিল জুতো পরে ক্রমশ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অসংখ্য নারী। ঘণ্টার পর ঘণ্টা হিল জুতো পরার ফলে গোড়ালি, হাঁটু, পিঠ বা মেরুদণ্ডের নানা সমস্যায় ভুগছেন হাজার হাজার নারী। কাজের জায়গায় পুরুষদের জুতার হিল নিয়ে যখন কোনো বিধি-নিষেধ নেই, তাহলে নারীদের হাইহিল পরা বাধ্যতামূলক হবে কেন?

কাজের জায়গায় এই লিঙ্গ বৈষম্যের বিরুদ্ধেই সরব হয়েছেন হাজার হাজার নারী। কাজের জায়গায় নারীদের হাইহিল পরা এবং তার জন্য নানান শরীরিক অসুস্থতা নিয়ে প্রথম সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হন জাপানের এক লেখিকা, ইউমি ইশিকাওয়া। নিজের অনলাইন পিটিশনে তিনি লিখেছেন, কত ক্ষণে কাজ শেষ হবে আর পা থেকে হাইহিল জুতো খোলা যাবে, এই অপেক্ষাতেই থাকেন সকলে (নারীরা)।

টুইট করে ইশিকাওয়া জানান, যখন তিনি চাকরি করতেন, তাকেও তখন হাইহিল পরতে বাধ্য করা হয়েছিল আর সে অভিজ্ঞতা ছিল অত্যন্ত অস্বস্তিকর। ইশিকাওয়ার এই টুইটটি ৩০ হাজারেরও বেশি শেয়ার হয়। এর পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘কু টু’ রীতিমতো ভাইরাল হয়ে যায়।

‘কু টু’ আন্দোলনে সামিল হওয়া নারীদের দাবি, জুতোর সঙ্গে কাজের কী সম্পর্ক! কাজের জন্য হাই হিলের জুতো পরা বাধ্যামূলক করা একেবারেই উচিত নয়। তবে নারীদের এই প্রতিবাদ এখন শুধুমাত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় সীমাবদ্ধ নেই। আগুনের আঁচ লেগেছে জাপানের বিভিন্ন সরকারি মহলেও। ইতিমধ্যেই জাপানের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে৷

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status