|
প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখান করল মেয়ে, হামলা বাবার ওপর
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
|
প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখান করল মেয়ে, হামলা বাবার ওপর জানা যায়, আহত ব্যক্তির নাম ইউনুস মীর (৫২)। তিনি বরগুনার পাথরঘাটা পৌর এলাকার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের নারী মাদ্রাসার নৈশপ্রহরী। ওই ছাত্রীর ভাই মাছুম মীর গণমাধ্যমকে বলেন, ‘অনেক আগে থেকেই সবুজ আমার বোন মারিয়া আক্তার তুলিকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এ নিয়ে অনেক সালিশ-মিমাংসাও হয়েছে একাধিকবার। কিন্তু তাতেও সবুজ থেমে ছিল না। পরে অনেকবার আমার বাবাকে হত্যার হুমকি দেয় সবুজ ও তার বাবা আলম মহরার। এ নিয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। এরই জের ধরে গত রাতে আমার বাবার ওপরে হামলা করেছে সবুজ তার বাবা আলম মহরারসহ চার থেকে পাঁচজন লোক।’ মাছুম মীর আরও বলেন, ‘লোহার রড দিয়ে হত্যার জন্য মাথায় আঘাত করে। পরে স্থানীয় লোকজন টের পেলে তাকে ফেলে রেখে তারা পালিয়ে যায়। এ সময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল পাঠিয়ে দেওয়া হয়।’ পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক আরিফুল ইসলাম জানান, রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। তার মাথায় আঘাত আছে। এ ছাড়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের ক্ষত রয়েছে। এখানে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা না থাকায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।’ এ সব অভিযোগ অস্বীকার করে ওই ছেলের বাবা আলম মহরার জানান, যে সময়ের কথা বলা হচ্ছে সেই সময়ে আমি চেম্বারে অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মঞ্জুর সাথে কথা বলতেছিলাম। আমি যদি উকিলের সাথে কথা বলি তবে সেখানে তাকে মারধর করতে গেলাম কীভাবে?’ প্রেমের প্রস্তাবের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আগেই স্থানীয়দের মাধ্যমে সালিশ-মিমাংসাও হয়ে গেছে।’ এ বিষয়ে পাথরঘাটা নারী মাদ্রাসার সুপারিয়েনটেনডেন্ট মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘এ ঘটনায় কে বা কারা তাকে মারধর করেছে তা আমার জানা নেই।’ পাথরঘাটা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হানিফ সিকদার মারধরের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে প্রেমের ঘটনা সম্পর্কে তার জানা নেই বলে জানান। ওসি বলেন, ‘এ রকম কোনো লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তারা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে কি না তা আমার জানা নেই।’ |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
