|
আদালতে কাঁদলেন বিচারপতি
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
|
আদালতে কাঁদলেন বিচারপতি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়স নির্ধারণ করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে রায় প্রদানকালে রোববার হাইকোর্টের অ্যানেক্স-৬ নম্বর বেঞ্চে এ আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এ সময় বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি শেখ হাসান আরিফের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন বিচারপতি রাজিক আল জলিল। উল্লেখ্য, দেশের ক্রান্তিকালে ১৯৭১ সালের উত্তাল মুহূর্তে ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) জাতির উদ্দেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দিকনির্দেশনামূলক ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেছিলেন। ইউনেসকোর মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত হওয়া বঙ্গবন্ধুর সেই ভাষণ একাত্তরের রণাঙ্গনে অংশ নেওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল। আর একাত্তর পরবর্তী সময়ে সেই ভাষণের মধ্যেই সমাজের অবহেলিত ও বঞ্চিত মানুষ খুঁজে নিয়েছে তাদের মুক্তির পথ। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার ওমর সাদাত ও এ বি এম আলতাফ হোসেন। তাদের সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এ আর এম কামরুজ্জামান কাকন ও শুভ্রজিৎ ব্যানার্জি। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেছুর রহমান। আদালত রায়ে বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, তাদেরকে কোনো বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যাবে না। রিটকারীদের আইনজীবী ব্যারিস্টার ওমর সাদাত বলেন, হাইকোর্টের এ রায়ের ফলে মুক্তিযোদ্ধা নির্ধারণে ১২ বছর ৬ মাস নির্ধারণ করে সরকার যে আইন ও প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল তা আর কার্যকর থাকছে না। পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধা নির্ধারণে এখন থেকে বয়সের কোনো বিধিনিষেধ থাকছে না বলেও জানান তিনি। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
আলফাডাঙ্গায় ২৮ জুন ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন: সফল করতে প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন
সেনাবাহিনীর উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
স্মার্টফোন বিস্ফোরণে আতঙ্ক, টঙ্গীতে ভিভো ফোনে অল্পের জন্য রক্ষা পেল পরিবার
সাতক্ষীরায় রাফাতের মৃত্যুর ঘটনার সঠিক তদন্ত পূর্বক দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে মানববন্ধন
