|
বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতায় ঢাকা-ওয়াশিংটন চুক্তি সই
নাজমুল হক শ্যামল, জাতিসংঘ সদর দপ্তর নিউইয়র্ক থেকে
|
![]() বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতায় ঢাকা-ওয়াশিংটন চুক্তি সই প্রকাশিত ছবির ক্যাপশন অনুযায়ী, চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসাদ এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে অর্থনীতিবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জ্যাকব হেলবার্গ সই করেন। এর আগে গত ১ আগস্ট মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা বিষয়ে সমঝোতা স্মারক নবায়নের প্রস্তাব দেওয়া হয় বলে জানা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের বিষয়ে সরকারের অবস্থান জানতে চাইলে ৩ আগস্ট পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এটিকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো দ্বিপক্ষীয় চুক্তি ও সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সরকার প্রস্তুত। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রথম বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি সই হয়েছিল ১৯৮১ সালে। তবে ১৯৯১ সালের পর ওই চুক্তি আর নবায়ন হয়নি। দীর্ঘ সময় পর নতুন করে এমন চুক্তির খবর এলো এমন এক সময়ে, যখন রাশিয়ার সহযোগিতায় নির্মাণাধীন বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুর প্রকল্পের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। শান্তিপূর্ণ কাজে পারমাণবিক প্রযুক্তি, জ্বালানি ও সংশ্লিষ্ট সহযোগিতার জন্য বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তি করে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পারমাণবিক জ্বালানি আইনের ১২৩ ধারার অধীনে সম্পাদিত হওয়ায় এসব চুক্তি সাধারণভাবে ‘১২৩ চুক্তি’ নামে পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ২৬টি দেশ ও সংস্থার সঙ্গে দেশটির এ ধরনের চুক্তি রয়েছে। এসব চুক্তির আওতায় অর্ধশতাধিক দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। নতুন চুক্তির ফলে পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার, নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতার সুযোগ আরও বিস্তৃত হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা। |
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |
