|
স্টেডফাস্ট কুরিয়ারের কাভার্ড ভ্যানে ১,৯০০ ইয়াবা, আটক ৩
ঢাকা থেকে রংপুর যাচ্ছিল চালান, পার্সেল পরিবহনের আড়ালে মাদক পাচার, কেবিনে তল্লাশিতে বেরিয়ে এলো মাদক
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() স্টেডফাস্ট কুরিয়ারের কাভার্ড ভ্যানে ১,৯০০ ইয়াবা, আটক ৩ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার নয়মাইল জামালপুর এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে এ অভিযান চালানো হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বগুড়ার উপপরিচালক মোহা. জিললুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় চেকপোস্ট বসানো হয়। একপর্যায়ে ঢাকা থেকে রংপুরের দিকে যাওয়া স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের কাভার্ড ভ্যানটি থামানো হয়। গাড়িটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-অ-১১-৬৪৬১। পরে কাভার্ড ভ্যানের কেবিনে তল্লাশি চালানো হয়। একই সঙ্গে গাড়িতে থাকা ব্যক্তিদের দেহও তল্লাশি করা হয়। এ সময় ১ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত কাভার্ড ভ্যানটিও জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন—স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের চালক ঢাকার ধানমন্ডি মধুবাজার এলাকার মৃত মান্নান হাওলাদারের ছেলে মো. রাছেল হাওলাদার (৩৬), রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার শালাইপুর গ্রামের আবদুস সোবাহানের ছেলে হেলপার মো. রোকনুজ্জামান (৩৯) এবং কুড়িগ্রামের ভোগডাঙ্গা গ্রামের মো. ইউসুফ আলীর ছেলে মকবুল হোসেন (২৫)। ডিএনসি সূত্র বলছে, কুরিয়ার সার্ভিসের কাভার্ড ভ্যান ব্যবহার করে নিয়মিত পণ্য পরিবহনের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া ইয়াবা কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং কোথায় নেওয়া হচ্ছিল এসব বিষয়েও গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে উদ্ধার হওয়া ইয়াবা পাচারের সঙ্গে স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের প্রতিষ্ঠানটির আরও কেউ এ ঘটনায় সম্পৃক্ত আছেন কি না, সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে একটি বাণিজ্যিক কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানের পরিবহন ব্যবস্থাকে মাদক পাচারের কাজে ব্যবহার করা হলে এর পেছনে আরও কেউ জড়িত কি না, সেটিও তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। চালক-হেলপার ও আটক ব্যক্তির বাইরে এই চালানের সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তি বা চক্রের সম্পৃক্ততা ছিল কি না, তা বের করতে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক মো. তাহিদুল আলম বাদী হয়ে শাজাহানপুর থানায় মামলা করেছেন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
